শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত বরাদ্দ, সুষ্ঠু ব্যবহার

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং মিলেনিয়াম ঘোষণায় স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশও ২০১৫ সালের মধ্যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও দ্রুত বর্ধনশীল এ জনগোষ্ঠীর শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দিন দিন কমছে।

আবার যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনারও অভাব রয়েছে। প্রাপ্ত বরাদ্দও যদি সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করা হয় তাহলে বাংলাদেশে শিক্ষার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাক্ষরতা ও শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে।

শিক্ষা ক্ষেত্রে বিরাজমান এ পরিস্থিতি দূর করতে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) ২০১০ সালে ২০টি জেলায়, ২০১৩ সালে ২৩টি জেলায় এবং চলতি বছর ১২টি জেলায় শিক্ষাক্ষেত্রে সামাজিক নিরীক্ষা পরিচালনা করেছে।

২০১৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত এক মাসব্যাপী কুমিল্লা জেলায় ৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সামাজিক নিরীক্ষা পরিচালনা করে সুপ্র। সামাজিক নিরীক্ষার চার মাসের মধ্যে তিনটি বিদ্যালয়ে উন্নতি হয়েছে। অপর একটিতে সমস্যা নিরসনের প্রক্রিয়া চলছে।
rajeshpur_school
২০১৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত এক মাসব্যাপী সামাজিক নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেন সুপ্র’র কুমিল্লা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ। স্কুলগুলোতে পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করে সমস্যা চিহ্নিত সমাধানের প্রস্তাবনা করেন ভিজিটর সালমা আক্তার চৈতি ও তানিয়া আক্তার স্বপ্না।

সুপ্র জানায়, কুমিল্লার সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সদর দক্ষিণ উপজেলার শাকতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে সদর দক্ষিণ উপজেলায় পদুয়ারবাজার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর দক্ষিণ উপজেলার ৬ নম্বর পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়নে অবস্থিত রাজেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লালবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক জরিপ পরিচালনা করা হয়।

এসব স্কুলের প্রতিটি থেকে ৫ জন করে শিক্ষার্থী, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও এক সদস্য, অভিভাবক ৫ জন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং একজন করে নারী/পুরুষ শিক্ষকসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

প্রথম পর্যায়ে পরিচালিত ওই জরিপের প্রতিবেদনে সুপ্র বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ করেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- প্রতিটি বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া, মিড-ডে মিল ব্যবস্থা ও উপবৃত্তি চালু করা, শিক্ষার্থীদের জন্য বিনোদন ব্যবস্থা, খেলার মাঠ নিশ্চিত করা, প্রতিবন্ধী শিশুদের পড়ালেখার জন্য তাদের উপযোগী সবধরণের ব্যবস্থা করা, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক টয়লেট ব্যবস্থা থাকা অর্থাৎ ওয়াশব্লক স্থাপন করা, ঝরে পড়ার হার রোধে শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের তৎপরতা বৃদ্ধি করা, নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, শিক্ষাখাত অব্যাহতভাবে বেসরকারিকরণে নিরুৎসাহিত করা, শিক্ষা যাতে পণ্যে পরিণত না হয় সে দিকে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সজাগ দৃষ্টি রাখা, বিশেষ করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও শিক্ষার্থীদের জন্য লাইব্রেরি সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকালে কোন কোন বিদ্যালয়ে কোচিং ফি’র নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়ায় এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরো তৎপর হওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপ্র’র প্রথম পর্যায়ের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা কর্মীরা কাজ করেন। এ বিষয়বস্তুগুলো হলো, স্কুলগুলোতে জনবল ও শিক্ষক নিয়োগ, স্কুলের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত ও সংখ্যাগত অবস্থা, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত, পরিষ্কার পানিপানের ব্যবস্থা, ওয়াশব্লক স্থাপন, ম্যানেজিং কমিটির ভূমিকা, স্কুল পর্যায়ে সরকারের বাজেট বরাদ্দ, স্কুল পর্যায়ে বরাদ্দকরা বাজেটের সঠিক বাস্তবায়ন, প্রাথমিক শিক্ষা পরিচালনা কাঠামো, খেলাধুলা-বিনোদনের ব্যবস্থা এবং স্কুলগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার।

দ্বিতীয় ধাপে ফলোআপ মনিটরিংয়ে সুপ্র’র ভিজিটররা কুমিল্লা জেলায় চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪০ জন শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন, যাদের প্রায় ৫৩ শতাংশ মেয়ে। এসব শিক্ষার্থীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৫৩ শতাংশ শিক্ষার্থী নোট বই কিনেছেন, আর ১৫ শতাংশ শিক্ষক তাদের নোট বই কিনতে উৎসাহ দিয়েছেন। প্রায় ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন তাদের শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে এবং ভালো ফলাফল অর্জনে নোট বই সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত এবং ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থী স্কুলে কোচিং গ্রহণ করে। ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকরা ক্লাসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন।

২৮ শতাংশ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পায়, প্রায় সবাই বলেছে, উপবৃত্তির জন্য টাকা দিতে হয় না। শতকরা প্রায় ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থীর বাসা থেকে স্কুলের দূরত্ব দুই কিমি।

সব স্কুলে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা রয়েছে। ৩৩ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী বলেছে, স্কুলে স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেট আছে, প্রায় শতভাগ স্কুলে ছেলে-মেয়েদের পৃথক টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। প্রায় ৮২ শতাংশ বলেছে, তাদের স্কুলে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের পৃথক টয়লেটের ব্যবস্থা নেই।

নিরীক্ষায় মোট ১২ জন শিক্ষকের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এদের মধ্যে ৩ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৪২ শতাংশ শিক্ষক বলেছেন, তাদের ডিজিটাল পরিচয়পত্র আছে এবং তারা স্কুলের নোটিশ বোর্ডে এটি ঝুলিয়ে রাখেন। প্রায় ৯২ শতাংশ শিক্ষক বলেছেন, তারা ক্লাস নেওয়ার আগে পাঠ পরিকল্পনা করেন এবং তারা সবাই বলেছেন, তারা এটি সংরক্ষণ করেন। সব শিক্ষক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করেন। ৬৭ শতাংশ শিক্ষক চার এর অধিক ক্লাস নেন। প্রায় ৫৮ শতাংশ শিক্ষক বলেছেন, তারা অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি অধিক মনোযোগ দেন। ৭৫ শতাংশ শিক্ষক বলেছেন, কোচিং শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো।

জরিপে উঠে এসেছে, ৮০ শতাংশ অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের জন্য নোট বই কিনে দেন এবং প্রায় ৬৫ শতাংশ বলেছেন তারা নিজেদের উৎসাহে সন্তানদের নোট বই কিনে দেন। ৭৫ শতাংশ অভিভাবক মনে করেন, নোট বই পড়াশুনা ও ভালো ফলাফলের জন্য প্রয়োজন।

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, সহ সভাপতিসহ ৮ জনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ২ জন শিক্ষার্থীর মা, ২ জন পোষ্য এবং ৪ জন এলাকার জনগণ।

জরিপে ৬২.৫ শতাংশ উত্তর দাতা বলেছেন, স্কুলগুলোতে প্রয়োজন মোতাবেক শিক্ষক নেই এবং ৫০ শতাংশ মনে করেন শিক্ষকদের নতুন পদ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। ৫০ শতাংশ বলেছেন উপবৃত্তি শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখে, ৭৫ শতাংশ বলেছেন স্কুলে ফিডিং কার্যক্রম নেই।

সদস্যদের মধ্যে ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ম্যানেজিং কমিটির সভা নিয়মিত হয় না, ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ মনে করেন ম্যানেজিং কমিটি স্কুল পরিচালনার জন্য সহায়ক। শতভাগ উত্তরদাতা বলেছেন শিক্ষকরা সময়মত ও নিয়মিত স্কুলে আসেন, ৭৫ শতাংশ বলেছেন শিক্ষকরা কোচিংয়ের সঙ্গে জড়িত। ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, দারিদ্রতা শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার  অন্যতম কারণ। তবে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ মনে করেন শিশুশ্রম এবং ২৫ শতাংশ মনে করেন অসচেতনতাই ঝরে পড়ার কারণ।

সুপ্র’র প্রথম ধাপের জরিপ শেষে কর্ম-পরিকল্পনার ফলোআপ মনিটরিং করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল- কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রগতি চিহ্নিত করা।

এর ধারাবাহিকতায় ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিদ্যালয় ভিত্তিক শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সামাজিক নিরীক্ষার তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন, পরবর্তী সুপারিশসমূহ নিয়ে আলোচনা, বিদ্যালয়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা, নিয়মিত বিদ্যালয় তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণ শীর্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময়, বিদ্যালয় ভিত্তিক বই বিতরণ কর্মসূচি পরিদর্শন এবং কয়েকটি স্কুলে মা দিবস সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরবর্তীতে শিক্ষক, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির দেওয়া তথ্যে জানা যায়, স্কুলগুলোতে পানীয় জলের অভাব দূর করা হয়েছে। পরিস্কার ও জীবানুমুক্ত পানির জন্য স্কুলগুলোতে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। একটি স্কুলে ওয়াশব্লক স্থাপন করা হয়েছে। আরো দুটি স্কুলে ওয়াশ ব্লক স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।

২০১৪ সালের তুলনায় এ বছরে আরো সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে বই বিতরণ করা হয়েছে। বই বিতরণে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। কয়েকটি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। শিক্ষক পদ সৃষ্টি না হওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে ফলোআপে। শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষার মান বৃদ্ধির কথাও বলা হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল করছে তাদের পুরস্কৃত করার কথা উঠে আসে।

অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আশানুরূপ, দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্ন নেওয়া হচ্ছে। স্কুলগুলোতে সীমানা প্রাচীর দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। এতে করে স্কুলগুলোতে স্থানীয় বখাটেদের উৎপাত এখন নেই।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ২টি ও ইউনিয়ন এলাকায় ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিবীক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সুপ্র’র ভিজিটররা তথ্য প্রাপ্তিতে বেশকিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

এ বিষয়ে সুপ্র’র ভিজিটর সালমা আক্তার চৈতি জানান, তথ্য অধিকার আইন সর্ম্পকে এখনও পুরোপুরি জনসচেতনতা সৃষ্টি না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথ্য দিতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। ফলে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আমরা এক মাস ধরে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছি। স্কুলগুলোর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে সমাধানের জন্য উপস্থাপন করেছি। সামাজিক নিরীক্ষার ৪ মাসের মধ্যে বিদ্যালয়গুলোতে ভালো অগ্রগতি হয়েছে। তবে স্কুলগুলোতে শতভাগ উপবৃত্তি দিতে ও মিড ডে মিল চালু হলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষার মান আরো বৃদ্ধি পাবে।

সুপ্র’র কুমিল্লা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ জানান, আমাদের সামাজিক নিরীক্ষায় স্কুলগুলোতে বেশ উন্নতি হয়েছে। এভাবে নিরীক্ষার কাজ আরো চালিয়ে যেতে পারলে আরো সমস্যা বের করা সম্ভব হবে এবং সমাধান করে শিক্ষার মান আরো বৃদ্ধি করা যাবে। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

সৌজন্যেঃ বাংলানিউজ

পোষ্টটি লিখেছেন: লেখাপড়া বিডি ডেস্ক

লেখাপড়া বিডি ডেস্ক এই ব্লগে 990 টি পোষ্ট লিখেছেন .

লেখাপড়া বিডি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *