জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে অনার্স প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তির আবারো আবেদনের সুযোগ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রফেশনাল স্নাতক (সম্মান) বি.বি.এ. / বি.এড. / ব্যাচেলর অব ফাইন আর্টস / এ্যাপারেল ম্যানুফুফ্যাকচার এন্ড টেকনোলজি / ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড টেকনোলজি / নীটওয়্যার ম্যানুফুফ্যাকচার এন্ড টেকনোলজি / কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং /  ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি কার্যক্রমে যে সকল প্রার্থী প্রথম পর্যায়ে প্রাথমিক আবেদন করেনি, সে সকল প্রার্থীদেরকে আবারো আবেদনের সুযোগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।  Bangladesh-National-University

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে ২০১৩/২০১৪ সালের মাধ্যমিক/সমমান এবং ২০১৫/১৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ৪র্থ বিষয় সহ ন্যূনতম জিপিএ ২.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ বিকাল ৪টা থেকে ০৪ মার্চ ২০১৭ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবে। এই আবেদন ফরমটি ০৫ মার্চ ২০১৭ তারিখের মধ্যে আবেদন ফি বাবদ ৩০০/-  টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে৷

কলেজ কর্তৃক এ ধরনের প্রার্থীদের প্রাথমিক আবেদন অনলাইনে অবশ্যই নিশ্চয়ন করতে হবে।
এ সকল নতুন প্রাথমিক আবেদনকারীদের কোন মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে না তৎপরবর্তীতে তাদের মেধা তালিকায় পেতে অবশ্যই রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক এ ধরনের প্রার্থীদের আবেদন অনলাইনে নিশ্চয়ন না করা হলে তারা রিলিজস্লিপের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে না। রিলিজস্লিপের অনলাইন আবেদনের সময়সূচি পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট এর পাশাপাশি লেখাপড়া বিডি তেও  জানানো হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ভর্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্যঃ

আমদের পেইজে লাইক দিন গ্রুপে যোগ দিন

গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহঃ

ভর্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ সমূহঃ

  • অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণের সময়সীমাঃ ২৫/০৯/২০১৬ থেকে ২০/১২/২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।
  • প্রিন্ট করা প্রাথমিক আবেদন ফরমটির নির্ধারিত স্থানে আবেদনকারীর স্বাক্ষরসহ করে কলেজে আবেদন ফি বাবদ ৩০০/- টাকা জমা দেয়ার সময়সীমাঃ ২১/১২/২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।
  • ক্লাস শুরুর তারিখঃ ১৫ জানুয়ারি ২০১৭।

ভর্তির শর্তাবলীঃ

আবেদনের যোগ্যতাঃ

► শিক্ষার্থী যে কোন শিক্ষা বোর্ড এর যে কোন শাখা থেকে এসএসসি/সমমান ২০১৩/২০১৪ এবং এইচএসসি/সমমান ২০১৫/২০১৬ সালের পরীক্ষায় ৪র্থ বিষয় সহ নূন্যতম ২.৫ জিপিএ প্রাপ্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

► ২০১৩/২০১৪ সালের O-Level পরীক্ষায় তিনটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত ০৪ (চার) টি বিষয়ে উত্তীর্ণ এবং ২০১৫/২০১৬ সালের A- Level পরীক্ষায় একটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত ০২ (দুই) টি বিষয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এ ভর্তি কার্যক্রমে আবেদন করতে পারবে তবে প্রার্থীদের ভর্তি নির্দেশিকার অন্যান্য সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। এ সকল প্রার্থীদেরকে ডীন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।

► বিদেশী সার্টিফিকেটধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ-এ স্বীকৃত যে কোন শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক তাদের অজিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের নম্বর পত্রের সমতা নিরূপণ করা হলে তারাও ভর্তির প্রাথমিক আবেদন করতে পারবে। বিদেশী সার্টিফিকেটধারী প্রার্থীদের আবেদনের ক্ষেত্রে ভর্তি নির্দেশিকার সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। এ সকল প্রার্থীদেরকে ডীন, স্নাতকপূর্ব  শিক্ষা বিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।

► আবেদনকারী উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় যে শাখা থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে তাকে সেই শাখার জন্য নির্ধারিত ভর্তির প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মানবিক শাখার আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

► শিক্ষার্থী ১টি মাত্র কলেজে আবেদন করতে পারবে।

অনলাইনে প্রাথমিক প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ ও করণীয়ঃ 

  • আবেদন ফরম পূরণঃ আবেদনকারীকে এই লিঙ্কে গিয়ে প্রদর্শিত তথ্য ছকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ড ও পাসের সন সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে৷
  • সঠিক লিঙ্গ (Gender) নির্ধারণ নির্ধারণঃ এ পর্যায়ে অনলাইনে আবেদনকারীর শিক্ষা বোর্ডে সংরক্ষিত ডাটাবেজের তথ্য অনুযায়ী Male/Female প্রদর্শিত হবে৷ আবেদনকারীর তথ্য ছকে Male এর স্থলে Female বা
    Female এর স্থলে Male প্রদর্শিত হলে  Click to Change গিয়ে সঠিক তথ্যটি দিতে হবে৷
  • কলেজ পছন্দঃ আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী বিভাগ ও জেলাওয়ারী যে কোন কলেজের নাম Select করলে
    সংশ্লিষ্ট কলেজে ১ম বর্ষ স্নাতক (পাস) শ্রেণীর অধিভুক্ত কোর্সসমূহের নাম ও আসন সংখ্যা দেখতে পাবে৷
  • বিষয় পছন্দক্রমঃ website-এর তথ্য ছকে পছন্দ অনুযায়ী একটি কলেজ Select করলে আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট কলেজে তার ভর্তি যোগ্য (Eligible)কোর্সের তালিকা দেখতে পাবে এবং এই তালিকা থেকে প্রার্থী সর্তকতার সংগে তার প্রার্থিত কোর্সের পছন্দক্রম নির্ধারণ করতে হবে৷ এই পছন্দক্রমের উর্ধ্বক্রম অনুসারে মেধার ভিত্তিতে কোর্স বরাদ্দ দেয়া হবে৷
  • কোটাঃ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/ আদিবাসি/ প্রতিবন্ধী/পোষ্য কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে তথ্য ছকের নির্দিষ্ট স্থানে তার জন্য প্রযোজ্য কোটা Select করতে হবে৷ কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত মূল সনদপত্র থাকতে হবে৷ একজন প্রার্থী এক বা একাধিক কোটায় যোগ্য হলে
    কোটার পছন্দক্রম নির্ধারণ করে দিতে হবে৷
  • ছবি সংযোজনঃ আবেদনপত্র পূরণের সময় প্রার্থীর পাসপোর্ট আকারে সম্প্রতি তোলা রঙ্গিন ছবি Scan করে আপলোড করতে হবে৷ ছবির মাপ ১২০x১৫০ pixels,  Image  Type:  jpg এবং maximum file size:50KB হতে হবে৷
  • ফরম চূড়ান্তকরণঃ সঠিক তথ্য ও ছবিসহ ছক পূরণ করে প্রথমে ফরমটি Submit  Application অপশনে ক্লিক
    করতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীর রোল নম্বর ও পিন কোড প্রদর্শিত হবে এবং আবেদনকারীকে ফরমটি ডাউনলোড করে [A4(8.5”×11”)অফসেট সাদা কাগজে]প্রিন্ট (Print) নিতে হবে৷
  • আবেদন ফরম বাতিলকরণ / ত্রুটিপূর্ণ ছবি পরিবর্তন ছবি পরিবর্তনঃ আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজে জমাদানের পূর্বে কোন শিক্ষার্থী তার প্রাথমিক আবেদন ফরমটি বাতিল/ত্রুটিপূর্ণ ছবি পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে তাকে Applicant’s Login (Honours Professional) অপশনে গিয়ে আবেদন ফরমের রোল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীকে Form Cancel/Photo Change Option এ গিয়ে  Click to Generate OTP অপশনটি ক্লিক করতে হবে৷ এ সময়ে শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমে উল্লিখিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে One Time Password (OTP) পাবে৷ এই OTP এন্ট্রি দিয়ে প্রার্থী তার আবেদন ফরমটি বাতিলপূর্বক নতুন করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবে৷ এ লক্ষ্যে আবেদনকারীকে তার ব্যক্তিগত সঠিক মোবাইল নম্বর সর্তকতার সংগে আবেদন ফরমে সংযোজন করতে হবে৷ তবে কলেজ কর্তৃক প্রাথমিক আবেদন ফরম নিশ্চয়ন করার তা আর বাতিল করা যাবে নাপ্রার্থী ছবি পরিবর্তনের সুযোগ মাত্র একবারই পাবে৷
  • সংশ্লিষ্ট কলেজে ফরম ও ফি এর সাথে যা যা জমা দিতে হবেঃ আবেদনকারীকে প্রিন্ট করা প্রাথমিক আবেদন ফরমটির নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর করতে হবে৷ এই আবেদন ফরমের সংগে প্রার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার সত্যায়িত নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি ও প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ফি বাবদ ফি বাবদ ৩০০/- (তিনশত) টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ প্রাথমিক আবেদন ফরমটির দ্বিতীয় অংশ সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষ/দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলসহ প্রার্থীকে ফেরত দিবে৷ কলেজ যে সকল প্রাথমিক আবেদন ফরম online-এ নিশ্চয়ন করবে সে সকল প্রার্থী তাদের মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে তা জানতে পারবে৷

ভর্তির জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা ও নির্বাাচিত বিষয়সমূহঃ

Honours professional subjects

Honours professional subjectsমুক্তিযোদ্ধার সন্তান/ আদিবাসি/ প্রতিবন্ধী (সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে) কোটা সম্পর্কিত তথ্য ও সংরক্ষিত আসন সংখ্যাঃ

পোষ্য (Ward) কোটায় ভর্তিঃ

স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তান/সন্তানাদি পোষ্য কোটায় আবেদন করতে পারবে৷ এ কোটায় আবেদনকারীকে পোষ্যের প্রমাণ পত্রের সংগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দফতর থেকেও পোষ্য হিসাবে প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে হবে৷ ভর্তির জন্য পোষ্যকে ভর্তি নির্দেশিকার সকল শর্তপূরণ করতে হবে৷ একটি কলেজে সর্বোচ্চ ০৩ (তিন) জন আবেদনকারী মেধারভিত্তিতে পোষ্য কোটায় ভর্তি হতে পারবে এবং এ আসন অতিরিক্ত বলে বিবেচিত হবে ৷

ফলাফল ও মেধা তালিকা:

  • প্রতিটি কলেজ জন্য আলাদাভাবে মেধা তালিকা তৈরি করে প্রার্থীদের পছন্দক্রমের ঊর্ধ্বক্রম অনুযায়ী ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল শ্রেণীর কোর্স বরাদ্দ দেওয়া হবে।
  • একই প্রতিষ্ঠান/কলেজে একই বিষয়ে দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর প্রাপ্ত ফলাফল একই হলে সেক্ষেত্রে এ সকল
    আবেদনকারীর পর্যায়ক্রমে ১) ৪র্থ বিষয়সহ SSC ও HSC পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর যথাক্রমে ৪০% ও ৬০% ২) প্রয়োজন
    হলে SSC ও HSC পরীক্ষার মোট প্রাপ্ত নম্বরের যথাক্রমে ৪০% ও ৬০% ৩) এর পরেও যদি দুই বা ততোধিক
    আবেদনকারীর প্রাপ্ত ফলাফল একই হয়, তা হলে তাদের বয়সের নিম্নক্রম অনুসারে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে৷

ফলাফলঃ মেধাতালিকায় যার পয়েন্ট বেশি থাকবে সেই সুযোগ পাবে। ফলাফল কয়েকটি ধাপে প্রকাশিত হবে। যেমনঃ

ভর্তির ফলাফল দেখার নিয়মঃ

  • সংশ্লিষ্ট কলেজ তাদের User ID ও Password ব্যবহার করে ভর্তির কোর্সওয়ারী ফলাফল দেখতে পারবে৷
  • শিক্ষার্থীরা এই লিঙ্কে গিয়ে ভর্তির আবেদনের সময় প্রাপ্ত রোল ও পিন নম্বর দিয়ে লগিন করে

         অথবা, NU<space>ATHP<space>Roll No টাইপ করে ১৬২২২ নম্বরে ম্যাসেজ পাঠিয়ে।

          অথবা, কলেজ থেকে সরাসরি ফলাফল জানতে পারবে।

যারা মেধা তালিকায় সুযোগ পাবে তাদের করণীয় বিষয়সমূহঃ

লগইন (Login): মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে এই পোস্টের নিচে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে সঠিক রোল নম্বর ও পিন কোড দিয়ে Login করতে হবে৷ এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নাম, বরাদ্দকৃত বিষয়, সংশ্লিষ্ট কলেজের নাম ও অন্যান্য তথ্যসহ ভর্তির আবেদন ফরম প্রদর্শিত হবে৷

কোর্স পরিবর্তনের আবেদন করতে চাইলেঃ মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত কোন শিক্ষার্থী তার কোর্সের পরিবর্তন করতে চাইলে আবেদন ফরমের কোর্সের পরিবর্তনের নির্দিষ্ট (Yes/No) ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে৷

আবেদন ফরম প্রিন্টঃ সঠিক তথ্যসহকারে ভর্তির আবেদন ফরমটি Submit Application অপশনে ক্লিক করলে একটি চূড়ান্ত ভর্তির আবেদন ফরম website এ দেখা যাবে৷ উক্ত ফরমটির দুই কপি A4 (8.5”×11”) অফসেট কাগজে প্রিন্ট নিতে হবে৷ পরবর্তিতে রোল নম্বর ও পিন কোড দিয়ে একাধিকবার ফরমটি প্রিন্ট নেয়া যাবে৷

সংশ্লিষ্ট কলেজে ফরম জমাঃ আবেদনকারীকে প্রিন্ট করা ভর্তির ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে স্বাক্ষর করতে হবে৷ এই আবেদন ফরমের সঙ্গে আবেদনকারীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি ও ভর্তি রেজিস্ট্রেশন ফি সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ চূড়ান্ত ভর্তির আবেদন ফরমের একটি কপি অধ্যক্ষ/দায়িতপ্রাপ্ত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীকে ফেরত দিবে ৷

কোর্স পরিবর্তনের ফলাফল ও করণীয়ঃ সংশ্লিষ্ট কলেজে কোর্সভিত্তিক আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ও মেধাস্কোরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীকে তার কোর্সের পছনক্রমের ঊর্ধ্বক্রমে কোর্স পরিবর্তনের ফলাফল অনলাইনে/SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে৷ শিক্ষার্থীর কোর্স পরিবর্তন হলে নির্দিষ্ট Online থেকে একই প্রক্রিয়ায় কোর্স পরিবর্তনের ফরম সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে৷ উল্লেখ্য যে, কোন
শিক্ষার্থীর কোসর্ পরিবর্তন হলে তার পূর্বের কোর্সের ভতির্ বাতিল হয়ে যাবে এবং পরিবর্তিত কোসের্ তার ভতির্ নিশ্চিত হবে৷ তবে
কোন শিক্ষার্থীর কোর্স পরিবর্তন না হলে পূর্বের কোর্সেই তার ভর্তির বহাল থাকবে ৷ কোর্স পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে কোন ফি প্রদান করতে হবে না৷

কোটার ফলাফল: রিলিজ স্লিপের ফরম পূরণের পূর্বে কোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে৷ যে সকল শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে মেধা তালিকায় স্থান পেয়ে প্রার্থিত কোর্সে ভর্তি হয়েছে এবং একই সঙ্গে কোটায় নতুন কোর্স বরাদ্দ পেয়েছে সে সকল শিক্ষার্থী কোটায় বরাদ্দকৃত কোর্সে ভর্তি হতে চাইলে তাদের পূর্বের বর্তি বাতিল হয়ে যাবে৷

চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চয়নঃ সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক Online এ মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত ভর্তি/কোর্স পরিবর্তন নিশ্চয়ন করা হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীকে SMS এর মাধ্যমে তা জাানিয়ে দেয়া হবে৷ এছাড়াও শিক্ষার্থীরা এই পোস্টের নিচে দেওয়া লিঙ্কে Login করে তা জানতে পারবে৷

রিলিজ স্লিপে আবেদন করার শর্তাবলী ও ফরম পূরণ সম্পর্কিত বিষয়াবলীঃ যে সকল শিক্ষার্থী ক) মেধা তালিকায় স্থান পায়নি খ) মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও বরাদ্দকৃত কোর্সের ভর্তি হয়নি গ) ভর্তি বাতিল করছে, সে সকল শিক্ষার্থী রিলিজ স্লিপের জন্য আবেদন করতে পারবে৷

লগইন (Login): রিলিজ স্লিপে আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীকে এই পোস্টের নিচে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে সঠিক রোল নম্বর ও পিন কোড এন্ট্রি দিয়ে Login করতে হবে৷ এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নাম ও অন্যান্য তথ্যসহ রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম Website-এ প্রদর্শিত হবে৷

কলেজ ও কোর্সের পছন্দক্রম নির্ধারণঃ রিলিজ স্লিপে আবেদনের জন্য College Selection option এ গিয়ে আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী কলেজ Select করলে ঐ কলেজের কোর্সভিত্তিক শূন্য আসনের তালিকা ও তার Eligible কোর্সের তালিকা দেখতে পাবে৷ এ
পর্যায়ে আবেদনকারী তার Eligible কোর্সের তালিকা থেকে নতুন করে পছন্দক্রম নির্ধারণ করে এন্ট্রি দিবে৷ এভাবে একজন আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচটি কলেজে পর্যায়ক্রমে কোর্স পছন্দক্রম নির্ধারণ করে এন্ট্রি দিতে পারবে৷

আবেদন ফরম চূড়ান্তকরণঃ সঠিক তথ্যসহকারে ফরম পূরণ করে প্রথমে Save করে অনলাইনে Submit করলে আবেদনকারী তার নাম, রোল নম্বর, পিন কোড ও কলেজের নাম ও কোর্সের পছন্দক্রমসহ একটি নতুন আবেদন ফরম এ দেখতে পাবে৷ উক্ত ফরমটি Download করেA4 (8.5”×11”) অফসেট সাদা কাগজে প্রিন্ট (Print) নিতে হবে তবে এটি সংশ্লিষ্ট কলেজসমূহে জমা দিতে হবে না৷

রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম বাতিলকরণঃ রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম চূড়ান্তকরণের পরও যদি কোন শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমে কলেজ/কোর্সের পছন্দক্রম সংশোধন বা পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে তাকে এই পোস্টের নিচে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে আবেদন ফরমের রোল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীকে Form Cancel option এ গিয়ে Click to Generate the Security key অপশনটি ক্লিক করতে হবে৷ এ সময়ে শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমে উল্লিখিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে এবং একই সংগে ই-মেইলে One Time Password (OTP) পাবে৷ এই OTP এন্ট্রি দিয়ে শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমটি বাতিলপূর্বক নতুন করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবে৷ এ লক্ষ্যে আবেদনকারীকে তার ব্যক্তিগত সঠিক মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল নম্বর সর্তকতার সংগে আবেদন ফরমে সংযোজন করতে হবে৷

রিলিজ স্লিপের ফলাফলঃ রিলিজ স্লিপের ফলাফল নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ করা হবে৷ রিলিজ স্লিপে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের কোর্স পরিবর্তনের কোন সুযোগ থাকবে না৷

চূড়ান্ত ভর্তির ফরম সংগ্রহ ও ভর্তিঃ শিক্ষার্থী রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে তার নির্বাচিত কলেজে কোর্স বরাদ্দ পেলে এই পোস্টের নিচে দেওয়া লিঙ্কের Login অপশনে গিয়ে ভর্তির আবেদন ফরম প্রিন্ট করবে৷ এই আবেদন ফরমের সংগে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি ও ভর্তি রেজিস্ট্রেশন ফি সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ রিলিজ স্লিপের ভর্তির আবেদন ফরমের একটি কপি অধ্যক্ষ/দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীকে ফেরত দিবে ৷

চূড়ান্ত ভর্তির জন্য কোর্সওয়ারী রেজিস্ট্রেশন ফিসের হার:

ভর্তি বিষয়ক যে কোন সাহায্যের জন্য ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সাথে যোগাযোগ করতে পারেনঃ

প্রফেসর ড. মোবাশ্বেররা খানম
ডীন (ভারপ্রাপ্ত), স্নাতকপূর্বক  শিক্ষা বিষয়ক স্কুল

ফোন : ৯২৯১০৬৮, ফ্যাক্স-৯২৯১০৭২, ই-মেইলঃ [email protected]

আবেদন ফরম পূরণ করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

লগিন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

উল্লেখ্য, এর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রফেশনাল স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমের আবেদন প্রক্রিয়া ২৫/০৯/২০১৬ তারিখ থেকে শুরু হয়ে বর্ধিত সময়সীমা অনুসারে ২০/১২/২০১৬ তারিখ পর্যন্ত চলে। আবেদন ফরম আবেদন ফি বাবদ ৩০০/-  টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিলো ২১/১২/২০১৬ তারিখ পর্যন্ত৷ অনেক প্রার্থী সে সময়ে আবেদন না করায় আবারো আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 553 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট "লেখাপড়া বিডি"র একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স সম্পন্ন করছেন ।

Ads by Wizards

One comment

  1. cse porar jonno mot koto gula virsity ache?? segulote ki direct vorty hobe naki ??

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।