পড়ার অনেক সুযোগ তো নিজ মহাদেশেই

বিদেশে পড়তে যেতে চান, বাংলাদেশের এমন বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরই প্রথম পছন্দ ইউরোপ, আমেরিকা। ‘খরচ, শিক্ষার মান, খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ’_এসব বিষয় বিবেচনা করলে আপনি চাইলেই তো নিজ উপমহাদেশকেই বেছে নিতে পারেন। এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আছে পড়াশোনার অনেক সুযোগ। জাপান, চীন, হংকং, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতসহ অনেক দেশের শিক্ষাব্যবস্থা আন্তর্জাতিকমানের। ইউরোপ-আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ার মতো খুব বেশি ভিসা জটিলতা নেই এসব দেশে। পড়ার খরচও তুলনামূলক কম।

আইইএলটিএস ছাড়াই ভর্তি
জাপান, চীন, হংকং, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা মাধ্যমের কোর্সে ভর্তির আবেদন করতে কোর্সভেদে আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হবে ৫.০ থেকে ৬.০। আইইএলটিএস ছাড়াও আবেদনের সুযোগ আছে এসব দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে সে ক্ষেত্রে সে দেশে যাওয়ার পর ইংরেজি ভাষার ওপর ফাউন্ডেশন কোর্স করতে হবে। মালয়েশিয়া, ভারত ও থাইল্যান্ডে আইইএলটিএস ছাড়াই ভর্তি হওয়া যাবে। তবে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা নিয়ে বিদেশে পড়তে যাওয়াটাই ভালো। ইংরেজিতে দক্ষ হলে পড়াশোনার ক্ষেত্রে যেমন সহায়ক হয়, তেমনি খণ্ডকালীন কাজ পাওয়াটাও সহজ হয়।

ভর্তি তথ্য অনলাইনে
স্টুডেন্ট ভিসা, আবেদন প্রক্রিয়া ও পড়াশোনার প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাবেন অনলাইনে। চীনে উচ্চশিক্ষার তথ্য পেতে সহায়ক হবে এই সাইট দুটি_www.study-in-china.org ‰es www.educhinalink.cn। হংকংয়ে পড়াশোনার তথ্য পাবেন ‘স্টাডি ইন হংকং’-এর ইংরেজি ভাষায় পরিচালিত এই ওয়েব পোর্টালে_http://studyinhongkong.edu.hk/eng/। আরো কিছু দরকারি সাইটের ঠিকানাও পাবেন সাইটটিতে। জাপানে পড়াশোনার তথ্য পাবেন http://www.bd.emb-japan.go.jp/en/education/index.html লিংকে।
মালয়েশিয়ায় পড়াশোনা করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন www.studymalaysia.com সাইটটি। দেশটির ইমিগ্রেশন (www.imi.gov.my) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (www.moe.gov.my) সাইটেও আছে স্টুডেন্ট ভিসা ও পড়াশোনার দরকারি তথ্য। সিঙ্গাপুরের শিক্ষাব্যবস্থা ও পড়াশোনার তথ্যের বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারেন দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.moe.gov.sg)| studyinthailand.org_এই সাইটে পাবেন থাইল্যান্ডে ভর্তি, ভিসাসহ শিক্ষাবিষয়ক অনেক তথ্য। ভারতে পড়তে যেতে চাইলে ভিজিট করতে পারেন দেশটির সরকারি ওয়েব পোর্টাল_www.india.gov.in/overseas/study_india/studyinindia.php।

ভর্তি প্রক্রিয়া ও আবেদন
সাধারণত ভর্তি সেশন শুরুর দু-তিন মাস আগে আবেদন করতে হয়। আবেদনপত্র ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর যোগ্য শিক্ষার্থীদের ঠিকানায় অফার লেটার পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শাখা। লেটার পাওয়ার পরপরই ভিসা আবেদন করতে হবে সংশ্লিষ্ট দেশের ঢাকাস্থ দূতাবাসে। প্রসঙ্গত, ভর্তি ও ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের ফটোকপি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, আর্থিক সামর্থ্যের কাগজপত্র, আইইএলটিএস সনদ (প্রযোজ্য হলে) এবং সদ্য তোলা পাসপোর্ট আকারের ছবি দরকার হবে।

আছে বৃত্তি নিয়েও পড়ার সুযোগ
এশিয়ার কয়েকটি দেশের সরকার ও সংস্থা প্রতিবছরই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে বৃত্তি দেয়। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (www.moedu.gov.bd) চোখ রাখলেই পাওয়া যাবে এসব তথ্য। এ ছাড়া চীনের বিভিন্ন বৃত্তির তথ্য পেতে চোখ রাখুন এই ওয়েবে_www.moe.edu.cn/edoas/e। সিঙ্গাপুরের বৃত্তির আগাম খোঁজ পেতে রেজিস্ট্রেশন করুন এই ওয়েব লিংকে_https://moe.wufoo.com/forms/notification-for-scholarship-registrations/। জাপানের ‘এশিয়ান ইয়ুথ ফেলোশিপ’-এর বৃত্তি আবেদনের তথ্য পাবেন www.asiaseed.com সাইটটিতে।

পোষ্টটি লিখেছেন: বি.এম. মুন্না

এই ব্লগে 61 টি পোষ্ট লিখেছেন .

3 comments

  1. Ok ok

  2. আমি অষ্টেলিয়া ,অমেরিকা, যেতে চাই । এখন বর্তমানে আমি অনার্স 4th বর্ষে আছি ।এই সব যাওয়ার জন্য আমি এখন থেকে কি কি করা উচিত?? আমাকে একটু জানালে অনেক খুশি হব।

  3. Aigular ki pdf file diben?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *