স্টপ-নট “গল্প চালাও,ফিল্ম বানাও” কনটেস্ট এর জন্যে দশ বিশ্ববিদ্যালয়ের বানানো ১০টি শর্টফিল্ম সম্পর্কে জেনে নিন এখান থেকে (ভিডিওসহ)

ক্যাম্পাসভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা বানানোর প্রতিযোগীতা স্টপ-নট “গল্প চালাও,ফিল্ম বানাও” এর জন্যে দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অসাধারণে গল্প সমগ্র নিয়ে তৈরী হয়েছে চমৎকার ১০টি শর্টফিল্ম। সিনেমাগুলো ১৮ নভেম্বর ফেসবুকে মুক্তি দেওয়া হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফিল্মগুলোর নির্মাতাদের সম্পর্কে কিছু তথ্য ও দেখে নেয়া যাক ফিল্মগুলোঃStop Not Bangladesh

শেষের পরের চিঠি

ফখরুল আমান ফয়সাল

পড়ছেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। প্রচুর মুভি দেখেন। হিন্দি ছবির পোকা। লেখালেখিতেও আগ্রহ। একসময় লিখে ফেললেন গল্প ‘শেষের পরের চিঠি’। এক দম্পতির জীবনের চড়াই-উতরাইয়ের গল্প। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

প্রত্যাবর্তন

আর এ এহসান

সিনেমা নিয়েই পড়ছেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। রাশিয়ান ও ইরানি ছবির প্রতি ঝোঁক। ছবি দেখতে দেখতেই একসময় ভাবলেন নিজেই একটা ছবি বানাবেন। ডায়েরির সাধারণ কাহিনীকে উপজীব্য করে বানিয়ে ফেললেন ছবিটি। এতে কাজের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী স্বাগতা। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

মিলু আর কোনোদিন সাইকেল হারায়নি

ইব্রাহিম বিন মওদুদ

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সুযোগটা কিছুতেই হাতছাড়া করেননি। শখের সিনেমাটির নাম দিয়েছেন, ‘মিলু আর কখনো সাইকেল হারায়নি’। গল্পটা সাইকেলকে নিয়ে। নায়ক মিলু একবার সাইকেলটা হারিয়ে ফেললে মা তাকে বকা দেন। অভিমানে ছেলেটি আত্মহত্যা করতে যায়। সেখানেই ঘটতে থাকে এক ভুতুড়ে কাহিনী। এক মৃত তরুণী তাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়। মিলু ফিরে আসে জীবনের পথে। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

মরণ ঢুলি

ইয়াসিন শাফি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সৈয়দ জুবায়েরের গল্প নিয়ে সিনেমা বানিয়েছেন চবি চলচ্চিত্র সংসদের সদস্য ইয়াসিন শাফি। গ্রামীণ জীবনের পটভূমির ছবিটির নাম ‘মরণঢুলি’। একজন ঢুলির জীবনের নানা চড়াই-উতরাই উঠে এসেছে। এতে এক চা বিক্রেতা চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিশু সাব্বির। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর ও শাহবাগে শুটিং হয়েছে। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

আংটি রহস্য

আসিফ অনিক

কলকাতার ছবির প্রতি আলাদা দুর্বলতা। ছবি দেখে দেখে নিজের মধ্যে ডিরেক্টর হওয়ার বাসনাটা জেগে ওঠে। আগপাছ না ভেবে বানিয়ে ফেললেন ‘আংটি রহস্য’। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে পড়ছেন অনিক। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

এক কাপ চা

ইমন ফয়সাল

পড়ছেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের কম্পিউটার সায়েন্সে। এমন কাঠখোট্টা বিষয়ে পড়েও অনেকটা মনের জোরেই বানিয়েছেন ‘এক কাপ চা’। সিনেমায় দেখা যাবে চা খেতে খেতেই নায়ক-নায়িকার সম্পর্কের শুরু। এরপর কাপের পর কাপ চা চলবে। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

যানজট বিভ্রান্তি

ঈশিকা নাজমুন জুয়েনা

একজন ট্রাফিক পুলিশের জীবনের গল্প ফ্রেমবন্দি করতে চেয়েছেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির এ শিক্ষার্থী। সিনেমার নাম ‘যানজট বিভ্রান্তি‘। ১৭ ও ১৮ অক্টোবর রাজধানীর মগবাজার চৌরাস্তা ও কারওয়ান বাজারে শুটিং করেছেন। রাস্তার অবর্ণনীয় জ্যাম আর রোদে পুড়ে শুটিং করতে ১০ জনের ইউনিটের ওপর দিয়ে বেশ হ্যাপা গেছে। হ্যাপার চোটে প্রথম দিনই সাতজন লাপাত্তা হয়ে যায়। শেষমেশ তিনজনকে দিয়েই শুটিং শেষ করেন। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

ফিরে এসো ফারিয়া

হাসান যোবায়ের

মজার ও রোমান্টিক একটি গল্প নিয়ে ‘ফিরে এসো ফারিয়া’ নির্মাণ করেছেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষার্থী। গল্পে দেখা যাবে একজন একটি ঘুড়ি কুড়িয়ে পাবে। তাতে লেখা আছে, ‘ফিরে এসো ফারিয়া’। ছেলেটি ঘুড়ির একটি ছবি ফেসবুকে আপলোড করে। এরপর থেকেই স্যোশাল মিডিয়ার ঝড় ওঠে। বেশ কয়টি ইভেন্ট খোলা হয়। ফারিয়াকে খুঁজে পেতে মানববন্ধন পর্যন্ত করা হয়। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

চিরকুট

হোসেন নাবিল

ইউনাইটেড ইউনিভার্সিটির ছাত্র। তাঁর ছবির গল্প একটা ফুল ও চিরকুটকে ঘিরে। নাম দিয়েছেন ‘চিরকুট‘। সোনিয়া নামে একটি মেয়েকে ভালোবাসে সিনেমার নায়ক হিরণ। ফুলের মধ্যে একটা চিরকুট লিখে তার কাছে পাঠিয়ে দেয়, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ফুলটি আরেকজনের হাতে পড়ে। এভাবে ফুলটি হাতবদল হতে হতে এক দম্পতির কাছে পৌঁছে। ঘটনাটা তখন ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

বুনোফুল

আমিনুল ইসলাম ইসহাক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলার শিক্ষার্থী। ঘুরতে ভালোবাসেন। মানুষের জীবনের নানা বাস্তবতাকে নিজের চোখে দেখেন। চোখে দেখা কাহিনী নিয়েই নির্মাণ করেছেন একটি ছবি। গল্পটা বন্ধু সুশান্ত হালদার ও ইসহাক দুজন মিলে লিখেছেন। সিনেমার নামটা রেখেছেন বুনোফুল। দুটি শিশুকে ঘিরে গল্প। ধনী পরিবারের শিশুটি সকালে বাবার গাড়িতে স্কুলে যায়, পথশিশুটি রোজ রোজ সকালে ফুল বিকোতে বেরোয়। ফিল্মটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই লিঙ্কে। চলুন তাহলে উপভোগ করা যাক ফিল্মটিঃ

পছন্দের শর্ট ফিল্মটিকে লাইক এবং শেয়ার করে বিজয়ে হতে সাহায্য করতে পারেন আপনিও। এভাবে ভোট দিয়ে নির্বাচন করুণ সবথেকে চমৎকার শর্ট ফিল্মটি। এছাড়া এসএমএস ও করতে পারেন। এসএমএসে ভোট দিতে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে Stopnot<স্পেস>বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত নাম এরপর send করুন 2345 নম্বরে।
তথ্যসূত্রঃ কালেরকন্ঠ

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 618 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট "লেখাপড়া বিডি"র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হিসেবে নিয়োজিত আছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স ও আজম খান সরকারী কমার্স কলেজ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *