পলিটেকনিক/ সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির বিস্তারিত তথ্য

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আওতাধীন বোর্ড সকল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল কলেজ ও পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটগুলোতে চার (৪) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি কোর্সে ১ম ও ২য় শিফটে ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২০২১ প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ০৯/০৮/২০২০ তারিখ হতে ২৬/০৮/২০২০ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

আবেদন ফরম পূরণের ন্যূনতম এক ঘণ্টা পূর্বে টেলিটক/রকেট/শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) আবেদন ফি জমা দিতে হয়। ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল তথ্য আপনাদের সুবিধার্থে নিচে তুলে দেওয়া হলো…

ভর্তি আবেদনের যোগ্যতাঃ

  • সকল শিক্ষাবোর্ড অথবা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে  অনুষ্ঠিত এসএসসি/দাখিল/এসএসসি (ভোকেশনাল) দাখিল (ভোকেশনাল)/ সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে জি.পি.এ. ৩.০০ সহ ন্যূনতম ৩.৫০ জি.পি.এ. প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এবং মেয়েদের ভর্তির ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে কমপক্ষে জি.পি.এ. ৩.০০ সহ ন্যূনতম ৩.০০ জি.পি.এ. প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এবং ‘ও’ লেভেলে যে কোন একটি বিষয়ে ‘সি” গ্রেড এবং গণিতসহ অন্য যে কোন দুটি বিষয়ে কমপক্ষে ‘ডি’ গ্রেডে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
  • এস.এস.সি.সহ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবে। তবে আবেদন ফরম জমা দেওয়ার শেষ তারিখে প্রার্থীর বয়স অনুর্ধ্ব ২২ বছর হতে হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ সমূহঃ

  • অন-লাইনে আবেদনের সময়সীমাঃ ০৯/০৮/২০২০ হতে ২৬/০৮/২০২০ (রাত ১১:৫৯ টা পর্যন্ত)
  • মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশ (SMS এর মাধ্যমে ও ওয়েবসাইটে): ৩০/০৮/২০২০
  • মূল মেধাতালিকা হতে ভর্তি নিশ্চায়ন ফি: ৩১/০৮/২০২০ থেকে ০৪/০৯/২০২০ পর্যন্ত
  • ১ম অপেক্ষমান তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ (SMS এর মাধ্যমে ও ওয়েবসাইটে): ১১/০৯/২০২০
  • ১ম অপেক্ষমান তালিকা হতে ভর্তির নিশ্চায়ন ফিঃ ১১/০৯/২০২০ থেকে ১৪/০৯/২০২০ পর্যন্ত
  • ২য় অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশঃ ২১/০৯/২০২০
  • ২য় অপেক্ষমান তালিকা হতে ভর্তির নিশ্চায়ন ফিঃ ২১/০৯/২০২০ থেকে ২২/০৯/২০২০
  • ক্লাশ শুরুর সম্ভাব্য তারিখঃ ১৬/০৯/২০২০

মেধা তালিকা ও সকল অপেক্ষমাণ তালিকার ফলাফল এই লিঙ্ক থেকে জানা যাবে

ভর্তি সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য জানতে এই লিংকে ক্লিক করে ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ড দেখুন।

ভর্তির আবেদন করার পদ্ধতি ও নিয়মাবলী:

  • ভর্তিচ্ছুক প্রার্থীকে অন-লাইনে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) প্রথমে টেলিটক/রকেট/শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে 16222 নম্বরে SMS করে জমা দিতে হবে। অতঃপর এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে নির্ধারিত আবেদন ফরম (Application Form) যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে ।
  • ভর্তির ফরম পূরনের বিস্তারিত নিয়মাবলীসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডি তেও পাওয়া যাবে।

ফি জমা দেয়ার পদ্ধতিঃ  টেলিটকের Prepaid মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেজ অপশনে গিয়ে BTAD লিখে, স্পেস দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখে, স্পেস দিয়ে এস এস সি (SSC) পরীক্ষার রোল নম্বর লিখে , স্পেস দিয়ে এস. এস. সি. পাশের সন লিখে, স্পেস দিয়ে ভর্তির শিফটের নির্ধারণ অক্ষর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এস এম এস (SMS) করতে হবেঃ
উদাহরণঃ BTAD <Space>XXX<Space>YYYYYY<Space>ZZZZ<Space>S
এখানে XXX এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের বোর্ডের নাম লিখতে হবে, ঢাকা বোর্ডের ক্ষেত্রে (DHA), সিলেট এর ক্ষেত্রে (SYL), বরিশালের ক্ষেত্রে (BAR), চট্টগ্রাম এর ক্ষেত্রে (CHI), কুমিল্লা এর ক্ষেত্রে (COM), দিনাজপুর এর ক্ষেত্রে (DIN), যশোর এর ক্ষেত্রে (JES), রাজশাহী এর ক্ষেত্রে (RAJ), মাদ্রাসা এর ক্ষেত্রে (MAD), কারিগরী এর ক্ষেত্রে (BTE), YYYYYY এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের এস এস সি পরীক্ষার রোল নম্বর, ZZZZ এর জায়গায় এস এস সি পাশের সন এবং S-এর স্থলে ১ম শিফট (A), ২য় শিফট (B), উভয় শিফট (C) লিখতে হবে।

SMS –প্রেরণকারী আবেদনের যোগ্য হলে ফিরতি SMS –এ একটি PIN , প্রার্থীর নাম, পিতার নাম এবং পরীক্ষার ফি হিসেবে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) কেটে রাখার সম্মতি চেয়ে ফিরতি SMS দেওয়া হবে। ফিরতি SMS মনোযোগের সাথে দেখে নিয়ে তথ্যাদি সঠিক থাকলে সম্মতি দিতে হবে। সম্মতি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ভাবে ১৬২২২ নম্বরে SMS পাঠাতে হবে ।
উদাহরণঃ BTAD <Space>YES<Space>PIN<Space>যোগাযোগের Mobile Number

তবে যে কোন অপারেটরের একটি Mobile Number কেবলমাত্র একজন প্রার্থীর যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করতে হবে। প্রার্থীকে একটি Money Receipt Number সহ ফিরতি SMS দেয়া হবে।
উল্লেখ্য যে, Money Receipt Number টি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে হবে এবং Money Receipt Number টি পাওয়ার পরে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। Money Receipt Number ছাড়া কোনক্রমেই আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে না।

  • একটি টেলিটক মোবাইল নম্বর থেকে একাধিক শিক্ষার্থীর আবেদনের ফি জমা দেয়া যাবে । তবে Contact Number টি অবশ্যই আবেদনকারীর নিজের/অভিভাবকের হতে হবে। এই Contact Number টি যে কোন মোবাইল অপারেটর এর হতে পারবে ।
  • উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ কোন শিক্ষার্থীকে তার রোল নম্বর (XX-X-XX-XXX-XXX) আবেদনের রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর হিসেবে ব্যবহার করতে হবে ।

এছাড়াও রকেট ও ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়া যাবে যার নির্দেশনা এই পোস্টের শেষে প্রদত্ত বিজ্ঞপ্তিতে পাওয়া যাবে।

আবেদন ফরম পূরণের ধাপঃ

  • এই লিঙ্কে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

মেধাতালিকা প্রণয়নঃ

এসএসসি সমমান পরীক্ষায় পাসের রেজাল্ট, পছন্দের ক্রম, কোটা ও অন্যান্য প্রযোজ্য শর্তের ভিত্তিতে প্রার্থীর মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে।

আপেক্ষমান তালিকা প্রণয়নঃ

  • মোট আসন সংখ্যা অনুযায়ী মেধা, পছন্দের ক্রম ও কোটা ভিত্তিক তালিকা প্রণয়নের পাশাপাশি একটি অপেক্ষমাণ তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
  • মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তিকৃত প্রার্থী পছন্দের ক্রমানুসারে প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি ভিত্তিক মাইগ্রেশনের সুযোগ পাবে।
  • মেধা তালিকা অনুযায়ী ভর্তির সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি ভিত্তিক শূন্য আসনে অপেক্ষমান তালিকা হতে মেধা, পছন্দের ক্রম ও কোটার ক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোটাঃ

  • মহিলা-২০%, এসএসসি (ভোকেশনাল)-১৫%, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আবেদনকারীদের –ঢাকা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রতিটিতে ৪টি করে ও অন্যান্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২টি করে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের প্রতি টেকনোলজিতে প্রতি গ্রুপে ২টি করে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী কোটা ৫% এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর সন্তানদের জন্য ২% আসনে মেধা ও আবেদন ফরমে বর্ণিত পছন্দের ভিত্তিতে কোটা সংরক্ষণ করে ভর্তি করা হবে।
  • এসএসসি সহ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাস প্রার্থীদের ট্রেড কোর্সে প্রাপ্ত নম্বরের ও এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধা নির্ধারণ করা হবে এবং তাদেরকে ৫% সংরক্ষিত আসনে ভর্তি করা হবে।
  • সরকার নির্ধারিত কোটার আবেদনের প্রমাণপত্রঃ (ক) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র (খ) মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রদত্ত সনদপত্র (গ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এর অধীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/দপ্তর/প্রতিষ্ঠান প্রধানের সনদপত্র (ঘ) বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদপত্র এবং (ঙ) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্সধারীদের সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, আবেদনকারীর Application ID সম্বলিত প্রিন্ট আউটসহ আবেদনপত্র নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ডাকযোগে/সরাসরি অফিস চলাকালীন সময়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পিছনের বিল্ডিংয়ের ২০১ নং কক্ষে সরাসরি অথবা ডাকযোগে পৈাঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।। অন্যথায় তার কোটা বিবেচিত হেব না। ট্রেড কোর্সধারী শিক্ষার্থীদের ট্রেড সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তি করা হবে।
  • অন-লাইনে আবেদনের পর সরকার নির্ধারিত কোটা সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে উল্লেখিত সংশ্লিষ্ট সকল প্রমাণপত্রসমূহ (Application ID সম্বলিত আবেদনের প্রিন্ট কপিসহ) নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন ফরম পাওয়া না গেলে প্রযোজ্য কোটা বিবেচ্য হবে না।
  • সরকার নির্ধারিত কোটার উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে পর্যায়ক্রমে মেধা তালিকা/অপেক্ষমান তালিকা হতে কোটাভিত্তিক শূন্য আসন পূরণ করা হবে।

শূন্য আসন পূরণঃ

  • ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে কেউ ক্লাস শুরুর ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।  উক্ত শূণ্য আসনে পরবর্তী ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিত ও ভর্তিচ্ছুকদের তালিকা হতে মেধার ক্রমানুসারে পূরণ করা হবে।
  • ভর্তির ক্ষেত্রে ২০% ড্রপ-আউট বিবেচনায় টেকনোলজি ভিত্তিক প্রতি গ্রুপে আসন সংখ্যা ৫০(পঞ্চাশ) নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভর্তি সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাবলিঃ

  • অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ, ছবি সংযোজন, টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রেরণসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম প্রার্থীকে নিজ দায়িত্বে সম্পন্ন করতে হবে। প্রার্থী এ বিষয়ে কারো সহযোগীতা নিয়ে প্রতারিত হলে কর্তৃপক্ষ এর জন্য দায়ী থাকেবে না।
  • ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম অন-লাইন এবং ভর্তি নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী সম্পাদিত হবে।

হেল্পলাইনঃ

যে কোন তথ্যের জন্য নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারবেন :
ম জহিরুল ইসলাম

উপ পরিচালক (এলএমডি)

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, আগারগাঁও, ঢাকা।

মোবাইলঃ ০১৭১৫-৮১০৬৫০

ড. শেখ আবু রেজা

কন্সালটেন্ট

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, আগারগাঁও, ঢাকা।

মোবাইলঃ ০১৯৯২-০০৬২৬২

টেকনিক্যাল হেল্প ডেস্কঃ

মোবাইলঃ ০১৭২৭২৩৩৫২৪ / ০১৭৮৯৩০৯৯৮১

মোবাইলঃ ০১৭৮৯০২৮১৭৩ / ০১৭২৯৭২২৫৬১

ভর্তির ফলাফলঃ

৩০/০৮/২০২০ তারিখে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। প্রকাশ হওয়ার পর ফলাফল এই লিঙ্ক থেকে জানা যাবে।

বাংলাদেশের সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর আসন সংখ্যা ও বিষয় তালিকা

পলিটেকনিক/সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির ফলাফল ০৭ জুন প্রকাশ করা হবে। কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি আপনাদের সুবিধার্থে উক্ত ফলাফল লেখাপড়া বিডি থেকেও জানা যাবে। এছাড়া ভর্তির জন্য আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বরে ফল পাওয়া যাবে।

পলিটেকনিক/ সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে

 

বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করুন

ভর্তি নির্দেশিকা ডাউনলোড করুন

ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ৪র্থ পর্বের শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 666 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট "লেখাপড়া বিডি"র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হিসেবে নিয়োজিত আছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স ও আজম খান সরকারী কমার্স কলেজ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন।

48 comments

  1. আমি ২০১৪ সালে Hsc এবং ২০১২ সালে Ssc পাশ করছি। ২০১৪ সালে আমি ডিগ্রীতে ভর্তি হই এবং ডিগ্রী ২য় বর্ষে উঠার পর আমি বিদেশে চলে আসি। এখন আমি আবার পড়াশোনা করতে চাই। আমার জন্য কি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা আছে? আর আমার ইচ্ছা পলিটেকনিক এ ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে। আমার কি সুযোগ আছে আর। জানাবেন প্লিজ। তা ছাড়া আর কি সুযোগ আছে সেটা ও জানাবেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *