প্রসঙ্গত শিক্ষকদের আচরণ

সম্প্রতি বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে এক অশুভ তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শিক্ষকদের কেউ কেউ একে অপরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা খুশি তাই লিখছেন। জাতীয়করণ ইস্যুতে যেখানে সকল শিক্ষক এক সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা প্রয়োজন সেখানে তাঁরা করছেন ঠিক উল্টোটা। কোন কোন শিক্ষকের অশিক্ষক সুলভ আচরণে গোটা শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে।

ফেইসবুকে যারা মন্তব্য করছেন তাদের মনে রাখা উচিত ফেইসবুক এমন একটি মাধ্যম যাতে পোস্ট দেয়ার সাথে সাথে তা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ যখন শিক্ষকদের একে অপরের বিরুদ্ধে নোংরা ভাষায় আক্রমণ করতে দেখেন তখন কতিপয় শিক্ষকদের এই আচরণে গোটা শিক্ষক সমাজের মানসিকতা কিংবা যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য কিছু অশিক্ষকও আছে যারা ভুয়া ফেইসবুক আইডি ব্যবহার করে অত্যন্ত সুকৌশলে শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছে। শিক্ষকদের মধ্যে কাদা ছোড়াটি বেশি লক্ষ্য করা যায় কল্যাণ এবং অবসর বোর্ডের অনিষ্পত্তি ৬৮ হাজার শিক্ষকের আবেদন নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কল্যাণ এবং অবসর ভাতার ৪% চাঁদা বৃদ্ধির গেজেট প্রকাশকে কেন্দ্র করে।

যেহেতু আমি কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব সেহেতু আমি বিষয়টির সাথে অঙ্গাঙ্গীভাকে জড়িত। আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি আমাদের শিক্ষকদের ৯০% কল্যাণ এবং অবসর বোর্ডের বিধিবিধান সম্পর্কে অবহিত নন। আর সে জন্য অতি সহজেই শিক্ষকদের বিভ্রান্ত করা যায়। উল্লেখ্য, এক সময় বেসরকারি শিক্ষকরা সারাজীবন চাকুরি করে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরতেন। তাদের কোন পেনশন সুবিধা ছিল না। শেষ জীবনে তাদের হাতে তুলে দেয়া হতো ছাতা, জায়নামাজ, তজবী, লাঠি প্রভৃতি। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করার পাশাপাশি বেসরকারি স্কুল শিক্ষকদের জন্য মাসিক ৭৫ টাকা এবং কলেজ শিক্ষকদের জন্য ১০০ টাকা বেতন নির্ধারণ করেন। তখনই বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু সদ্য স্বাধীন, যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশে টাকার অভাবে তিনি তা করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর কোন সরকারই জাতীয়করণের উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।

শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে ১৯৯০ সালে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত হয়। কল্যাণ ট্রাস্ট আইন অনুযায়ী শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনের টাকা হতে ২% চাঁদা হিসেবে তাদের কল্যাণ ফা-ে জমা করা হয়। আইন অনুযায়ী একজন শিক্ষক যত বছর চাকুরি করেছেন অবসরে যাবার পর ১৯৯০ সাল থেকে হিসাব করে তিনি সর্বশেষ স্কেল অনুযায়ী তত মাসের সমপরিমাণ কল্যাণ সুবিধা পাবেন। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে ২০১৫ সালের ৩০ জুন অবসরে গেলে একজন কলেজ কিংবা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কল্যাণ এবং অবসর সুবিধা পাবেন প্রায় ২২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অথচ একদিন পর ১ জুলাই যিনি অবসরে যাবেন নতুন স্কেলে তিনি পাবেন প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা। অপরদিকে একজন অধ্যক্ষের বর্তমান বেতন স্কেল ৫০ হাজার টাকা। অথচ ১৯৯০ সালে তিনি যখন চাকুরিতে যোগদান করেন তখন তিনি একজন প্রভাষক ছিলেন। তিনি বেতন পেতেন ৮০%। তখন তিনি একজন প্রভাষক স্কেলে ২% চাঁদা প্রদান করতেন সেই প্রভাষক এখন অধ্যক্ষ কল্যাণ ট্রাস্ট আইন অনুযায়ী তাকে অধ্যক্ষের ৫০ হাজার টাকা স্কেলে তাকে ১৯৯০ সাল থেকে হিসাব করে কল্যাণ সুবিধা দিতে হচ্ছে। অনুরূপভাবে অন্যান্য সকল শিক্ষক কর্মচারীদেরকে একই নিয়মে সর্বশেষ স্কেলে আর্থিক সুবিধা দিতে হচ্ছে।

অবসর বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে। অবসর সুবিধা বোর্ডে ১৯৮০ সাল থেকে হিসাব করে অবসর সুবিধা প্রদান করতে হয়। অবসর বোর্ডে শিক্ষক কর্মচারীদের মূল বেতনের ৪% চাঁদা কর্তন করা হয়।

অবসর বোর্ডে চাঁদা কর্তন শুরু হয় ২০০৫ সাল থেকে। ২০০২ সালে যারা অবসরে গেছেন তারাও ১৯৮০ সাল থেকে হিসাব করে অবসর সুবিধা পাচ্ছেন। অথচ তারা এক টাকাও চাঁদা দেননি। বর্তমানে কল্যাণ ট্রাস্টে ২% চাঁদা হিসাবে প্রতিমাসে জমা হয় প্রায় ১৬ কোটি টাকা। আর চাহিদা প্রায় ৩৩/৩৪ কোটি টাকা।

অবসর বোর্ডে প্রতিমাসে ৪% চাঁদা হিসাবে জমা হয় ৩২/৩৩ কোটি টাকা। চাহিদা তার প্রায় তিনগুণ বেশি। কল্যাণ ট্রাস্টে আমি দায়িত্ব নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত (২০০৯) ১৮ বছরে কল্যাণ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে প্রায় ২৮৯ কোটি টাকা। আর আমি দায়িত্ব নেয়ার পর গত আট বছরে পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১ শত কোটি টাকা। নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৭০ হাজার আবেদন। তারপরও এখনো প্রায় ২৮ হাজার আবেদন অনিষ্পত্তি অবস্থায় রয়েছে। অবসর বোর্ডে অনিষ্পত্তি অবস্থায় রয়েছে ৪০ হাজার আবেদন। অবসরপ্রাপ্ত অসহায় এই শিক্ষক কর্মচারীদের ৬৮ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যেই কল্যাণ এবং অবসর বোর্ড কর্তৃপক্ষ সর্বসম্মতিক্রমে চাঁদা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

অর্থ সংকটের মূল কারণগুলো হলো :
এক. কল্যাণ ট্রাস্ট চালু হওয়ার মাত্র ৬ মাস পর ১৯৯১ সালে কল্যাণ ট্রাস্টের সকল কর্মকা- বন্ধ করে দেয়া হয়। বিএনপি সরকার ১৯৯১-৯৬ ক্ষমতায় ছিল সেই সময় কল্যাণ ট্রাস্টে শিক্ষক কর্মচারীদের চাঁদা কাটা বন্ধ ছিল। ১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কল্যাণ ট্রাস্ট পুনরায় চালু হয়। কল্যাণ ট্রাস্টের চাঁদা আদায় বন্ধ থাকায় ৭ বছরে ফা- থেকে প্রায় দেড়শ কোটি টাকা কমে যায়।

দুই. কল্যাণ ট্রাস্টের আয়ের আরেকটি উৎস ছিল ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে বার্ষিক পাঁচ টাকা চাঁদা আদায়। ২০০২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ছাত্রছাত্রীদের চাঁদাও বন্ধ করে দেয়। ফলে গত পনের বছরে এ খাত থেকে দেড়শ/পৌনে দুইশ কোটি টাকা কমে যায়।

তিন. কল্যাণ ট্রাস্টের আইন অনুযায়ী সর্বশেষ স্কেলে শিক্ষক কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদান করতে হয়। স্কেল পরিবর্তনশীল। বেতন ক্রমশ বাড়তেই থাকে। নব্বই এর পর অন্তত পাঁচটি পে-স্কেল হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালে ঘোষিত ৮ম পে-স্কেলে বেতন বেড়েছে- প্রায় ১০০%। ফলে কল্যাণ অবসর বোর্ডে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের সুবিধাও দিতে হচ্ছে ১০০% বেশি।
২০০৯ সালে জাতীয় বেতন স্কেলে প্রায় ৬২% বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় কল্যাণ ট্রাস্টে অর্থ সংকটে পড়ে। তখনই তৎকালীন শিক্ষা সচিব মরহুম আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় কল্যাণ ট্রাস্টে ২% চাঁদা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। তখনই আমরা দাবি জানিয়ে ছিলাম সরকার থেকেও এই খাতে বরাদ্দ দিতে হবে। সরকারি বরাদ্দ না পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি। ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ১০০% বৃদ্ধি পায়। ফলে নতুন স্কেলে কল্যাণ ও অবসরের সুবিধা প্রদান প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই সংকট মোকাবেলা করার লক্ষ্যে শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা সচিব অক্লান্ত পরিশ্রম করে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এই খাতে অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের বোর্ড সভায় বোর্ডের সভাপতি শিক্ষা সচিব নিজেই চাঁদা বৃদ্ধির বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং উপস্থিত বোর্ডের সকল সদস্য তাতে একমত পোষণ করেন (বোর্ডে প্রতিনিধিত্বশীল সকল শিক্ষক কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধি রয়েছে)।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গত অর্থবছরে শিক্ষক কর্মচারীদের চাঁদা বৃদ্ধির শর্তে এই খাতে ৬৫০ কোটি এবং বর্তমান অর্থ বছরে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে লিখিতভাবে জানানো হয় চাঁদা বৃদ্ধির গেজেট প্রকাশ ছাড়া অর্থ ছাড় করা হবে না। এমতাবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় গেজেট প্রকাশ করার পর যে সকল শিক্ষক সংগঠন বোর্ড সভায় চাঁদা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে একমত হয়েছিলেন তাদের কেউ কেউ এর বিরোধীতা করেন এবং আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে দেখা যায়। শিক্ষক নেতাদের এই দ্বিমুখী আচরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় বিব্রত হয় এবং এক পর্যায়ে গেজেট স্থগিত করে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ২৭ বছরে কোন সরকারের পক্ষ থেকে একটি পয়সাও বরাদ্দ দেয়নি। অবসর বোর্ডের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সরকার থেকে এককালীন ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও এরপর কোন সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

চাঁদা বৃদ্ধির বিষয়টি যদি ভুল সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে তাহলে সকলে মিলে বোর্ডে পুনর্বিবেচনা কিংবা বিকল্প পন্থা বের করা যেতো। তা না করে শিক্ষক নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে থাকেন। এ সুযোগে শিক্ষক নামধারী একটি মহল সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের ক্ষেপিয়ে তোলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে। প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব ও আমাকে টার্গেট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অকথ্য ভাষায়, এমন সব মন্তব্য করতে থাকে তা ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য। কল্যাণ ও অবসরের দুই বোর্ড সভায় সদস্য (২১দ্ধ২) = ৪২ জন। সবাই মিলে একমত সিদ্ধান্ত দিলেন অথচ চাঁদা বৃদ্ধির জন্য এককভাবে দায় চাপানো হলো আমার ঘাড়ে। টাকার অভাবে অনিষ্পত্তিকৃত মানবেতর জীবন যাপনকারী ৬৮ হাজার শিক্ষক কর্মচারীর আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সকলে চাঁদা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু অপপ্রচারটি এমনভাবে করা হলো যেন সরকার শিক্ষকদের বেতন থেকে টাকা কেঁটে অন্য খাতে নিয়ে যাচ্ছে। এমনও প্রচার করা হয়েছে এই টাকা পদ্মা সেতুতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

যেখানে বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে সারা দেশের শিক্ষক সমাজ অধীর আগ্রহে দিন গুণছে। শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী ও কর্মবীর শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের এই স্বপ্ন পূরণের বাতিঘর। তাদেরকে আক্রমণ করে শিক্ষকদের দাবি আদায় সম্ভব নয়। না চাইতেই তো এই সরকার ২০% মহার্ঘ্য ভাতা দিয়েছে। জাতীয় বেতন স্কেলে বেতন দ্বিগুণ বৃদ্ধি, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি, ১৬২৪ প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত, বন্ধকৃত টাইমস্কেল চালু, ৮ হাজার সহকারী লাইব্রেরীয়ান নিয়োগ, ১৪ হাজার হাইস্কুলে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ ও স্কেল প্রদান, নজিরবিহীন অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার বেতন বৃদ্ধি তো এ সরকারে আমলেই হয়েছে।

আমরা শিক্ষক, আমাদের প্রতিবাদের ভাষা তো শিক্ষকদের মতোই হওয়া উচিত। আমরা যদি অশিক্ষক সুলভ আচরণ করি জাতির কাছে তো আমরা ছোট হয়ে যাই। এ কথা অবশ্যই আমাদের মনে রাখতে হবে।

লেখক: অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান আলম সাজু

কারা নির্যাতিত সাবেক ছাত্রনেতা, সাধারণ সম্পাদক, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, সদস্য সচিব, শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট, শিক্ষা মন্ত্রণালয়

পোষ্টটি লিখেছেন: লেখাপড়া বিডি ডেস্ক

লেখাপড়া বিডি ডেস্ক এই ব্লগে 914 টি পোষ্ট লিখেছেন .

লেখাপড়া বিডি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।