কিছু বই যা শুধু প্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য।

কিছু বই যা শুধু প্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য।
আমাদের অনেকের ধারণা প্রাপ্তবয়ষ্কদের বা ১৮+ বই মানেই অশ্লীল বই। এই ধারণাটা সঠিক নয়। কিছু কিছু লেখক আছেন অশ্লীলতাকে (যেটা আমাদের ভাষায়) কে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। আজকে এমনই কিছু বই নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। আশা করি বই গুলো আপনাদের ভাল লাগবে।

নায়ক সুখেনকে নিয়ে এই বইয়ের কাহানী। এতে তুলে আনা হয়েছে সুখেনের গোটা জীবন। গল্পের শুরুটা হয় একটা প্রজাপতি ধরার কাহিনী দিয়ে। ধরতে গিয়ে ভেসে উঠেছে জিনা নামের একটা মেয়ের কথা। এর সঙ্গে জড়িয়ে আমরা জানি শিখার কথা। শিখাকে সুখেন বিয়ে করে ঘর বাঁধতে চেয়েছিল। সে হতে চেয়েছিল শিক্ষক। দুর্নীতিপরায়ণ বাবা, বেল্লেলাপনার হাতে নিজেকে ছেড়ে দেয়া মা, বড় দুই ভাইয়ের রাজনীতি ও স্বার্থসিদ্ধিসহ নানা পাঁকচক্রে পড়ে সুখেনের আর কিছু করা হয় না। মাস্তানি হয়ে ওঠে সময় কাটানোর ও বেঁচে থাকার উপায়। কায়েমি স্বার্থবাদী লোকজন, সমাজের তথাকথিত অভিজাতেরা তাকে ব্যবহার করে। সেও সুযোগ নেয় ভোগ-বিলাসের। এবং একটি দুর্ঘটনা দিয়ে ইতি টানা হয় এ কাহিনীর। নারীদেহের বর্ণনা কিছু থাকলেও নারী-পুরুষের তুমুল কোনো সঙ্গম দৃশ্যের বর্ণনা পর্যন্ত এতে নেই। যেটুকু আছে তা আভাসে ইঙ্গিতেই আছে। এ উপন্যাসে ব্যবহৃত শব্দাবলী তুলে আনা হয়েছে কলকাতার রকবাজদের সেই সময়ের প্রচলিত কথাবার্তা থেকে।

প্রজাপতি

 projapot

পরকীয়া – এই শব্দটির মধ্যেই প্রচ্ছন্নভাবে লুকিয়ে রয়েছে প্রেমের কথা, প্রেমের গন্ধ।
মানুষের বিশেষ করে সমস্ত প্রেমিক প্রেমিকার রক্তে বইতে থাকে যে প্রেমময় রসধারা, জীবনকে ঘিরে আমৃত্যু যার প্রভাব থেকে যায়। রবীন্দ্র-শরৎ উত্তর বাংলা সাহিত্যে বিশেষ করে কল্লোল ও কল্লোল পরবর্তী সাহিত্যে প্রেমের প্রকাশ ঘটেছে নানাভাবে। আর বর্তমান সমাজে তো কোন প্রেমেই নিষিদ্ধের তকমা নেই, এককথায় সারা বিশ্বের প্রেম একমুখী। বর্তমানে তথাকথিত ‘লিভ-টুগেদার ‘ এর সময় তো প্রেম বড়ই অসহায়-নির্লজ্জ। এত কিছুর পরেও পৃথিবীতে প্রেম ছিল, আছে, থাকবে। তাই পৃথিবী যতই আধুনিক তথা সভ্য হোক না কেন প্রেম এবং পরকীয়া প্রেম সব যুগের অঙ্গ।
বর্তমান সংকলনটি বেশ কয়েকজন বিখ্যাত লেখকের লেখাকে স্থান দিতে পারা গেছে। যদি বর্তমান সংকলনটি পাঠকদের তৃপ্তি দিতে পারে তবেই আমাদের শ্রম সার্থক বলে বিবেচনা করা হবে।
-শ্যামাপদ সরকার।

পরকীয়া প্রেম

কাহিনীটি, মূলচরিত্র শুভদীপের আত্মহননের পূর্বমুহূর্ত থেকে আরম্ভ হয়ে, ফ্ল্যাশব্যাকে ফিরছে শুভদীপ এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের অভাবী সন্তান অর্থাভাব, বহু সম্পর্কজনিত জটিলতায় আবর্তিত হওয়া এবং মৃত্যু তথা অন্যান্য বিচ্ছেদের মাধ্যমে প্রিয়জন হারাবার কারণে মানসিকভাবে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে, সে এসে পড়েছে জীবনের শেষ কিনারে বহু নারী এসেছে তার জীবনে চন্দ্রাবলীর আন্তরিক দান, মহুলীর গরিমা, মালবিকার সাময়িক সুখ, চম্পাকলীর জীবনকথা বা তার বোন শুচু এবং তার মা এর জীবনবোধ তার মধ্যে ইতিবাচকতা আনেনি, বরং সে নেতির সম্মুখীন হয় বারবার এই নেতির মধ্যেই সে পরিচিত হয় জনের সঙ্গে জন, ইহুদীদের পারলৌকিক ক্রিয়াস্থলের পরিচারক জনের সঙ্গে পরিচিতি তার মৃত্যুচেতনাকে আরো বাড়ায় ভাই ও বাবার রোগ, বাড়ির জামাই তথা বন্ধু দেবনন্দনের উপর বাড়তে থাকা ঋণ, হঠাৎ পাওয়া সেই ছেলেটি যে শুভদীপকে বড় আপন করে নেয়–সব মিলিয়ে শুভদীপের জীবনে আলোর অভাব দেখা দেয় শেষ পর্যন্ত কি হয় শুভদীপের??? এই নিয়েই কাহিনীটি।

শামুকখোল

আরো জন্য বাংলা বইয়ের ডাউনলোড করার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

অলবাংলাবই

ফেইসবুক পেজ লিংক

পোষ্টটি লিখেছেন: anick

এই ব্লগে 4 টি পোষ্ট লিখেছেন .

2 comments

  1. আমার কথা হল শিল্পই যদি হয় তাহলে ছোটরা তা আরও আগে শিখুক তাহলে শিল্পে তারা আরও বেশি দক্ষ হয়ে উঠবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে।
    আর আপনি আপনার ছোট ভাই বোন বা যদি ছেলে মেয়ে থেকে থাকে তাদেরও পড়তে দিন।

    • সব কিছুর একটা বয়স থাকে। এটা শিল্পের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আপনি নিশ্চয় আপনার ছোট ভাই বোনদের বয়সের আগে বিয়ে দিয়ে দিবেন না নাকি দিবেন অতি তাড়াতাড়ি কিছু শেখার জন্য !!!!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।