বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির বিস্তারিত তথ্য

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষে প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িত্‍ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদসমূহের বিভিন্ন বিভাগে স্নাতক শ্রেণীতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বুয়েট এর ভর্তি পরীক্ষা ২২ নভেম্বর ২০১৪, শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইনে ১৪ অক্টোবর ২০১৪, মঙ্গলবার, সকাল ১০:০০ টা থেকে ২২ অক্টোবর ২০১৪, বুধবার বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এস.এম.এস এর মাধ্যমে ফি প্রদানের শেষ তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৪, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত। “ক” গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এর জন্যে আবেদন ফি ৭০০টাকা ও “খ” গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগ এর জন্যে আবেদন ফি ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ, শনিবার। ভর্তি পরীক্ষার সংক্রান্ত সর্বশেষ সব তথ্য (প্রবেশ পত্র, আসন বিন্যাস  ও ফলাফল ইত্যাদি ) লেখাপড়া বিডির এই পোস্ট থেকে জানা যাবে।BUET-LOGO-300x150

fingerবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ও সাক্ষাৎকারের সময়সূচী দেখুন এখান থেকে

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতাঃ 

যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২০১১ বা ২০১২ সালে মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, অথবা ২০১১ সালে মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৩ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষার সংশোধিত ফলাফল ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখের পরে শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত হয়েছে, অথবা ২০১০ সালের নভেম্বর বা তার পরে GCE O লেভেল এবং ২০১৩ সালের নভেম্বর বা তার পরে  GCE A লেভেল সার্টিফিকেট প্রাপ্ত হয়েছে,অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে শুধুমাত্র তারাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবে৷ যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ইতিপূর্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে তারা এই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করতে পারবে না৷

আমদের পেইজে লাইক দিন গ্রুপে যোগ দিন

[ক] প্রার্থীদেরকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫.০০ এর স্কেলে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/দাখিল/সমমানের পরীক্ষায় পাশ অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে৷
প্রার্থীদেরকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়সমূহের প্রতিটিতে জিপি ৫.০০ পেয়ে এবং ইংরেজী ও বাংলায় মোট জিপি নূ্যনতম ৯.০০ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক/আলীম/সমমানের পরীক্ষায় পাশ অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে৷
সকল সঠিক আবেদনকারীর মধ্য হতে উলেস্নখিত নির্ধারিত মানের ভিত্তিতে বাছাই করে প্রম থেকে ৮৫০০তম সকল আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে৷ এই বাছাইয়ের জন্য যথাক্রমে আবেদনকারীর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইংরেজীতে প্রাপ্ত জিপিএ, বাংলায় প্রাপ্ত জিপিএ, মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এবং মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ (অতিরিক্ত বিষয় ব্যতীত)-কে অগ্রাধিকারের ক্রম হিসাবে বিবেচনা করা
হবে৷
[খ] GCE O লেভেল এবং GCE A লেভেল পাশ করা প্রার্থীদেরকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCE O লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি বিষয় (গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজি সহ) এর প্রতিটিতে কমপক্ষে ই গ্রেড এবং GCE A লেভেল পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিন বিষয়ের প্রতিটিতে কমপক্ষে অ গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে৷
নুন্যতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে GCE O লেভেল এবং GCE A লেভেল সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায়
অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে৷
[গ] নুন্যতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীভুক্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে৷
“ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য আবেদনকারীদের তালিকা” বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে, ওয়েবসাইট এবং লেখাপড়া বিডিতে প্রকাশ করা হবে৷

আসন সংখ্যাঃ
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী প্রার্থীদের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ ও নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট ৩টি এবং স্থাপত্য বিভাগে ১টি সংরক্ষিত আসনসহ সর্বমোট আসন সংখ্যা ১০০০ টি৷

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির বিস্তারিত নির্দেশিকা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 548 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট “লেখাপড়া বিডি”র একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স সম্পন্ন করছেন ।

Ads by Wizards

One comment

  1. এই ওয়েবসাইট টি আমার কাছে খুব ভালো লাগে! আমি সব সময়ে ভিজিট করি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।