প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪ এর বিস্তারিত তথ্য

চতুর্থ ধাপে যে সকল জেলায় পরীক্ষা হবেঃ বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, যশোর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় চতুর্থ ধাপে শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হবে।

৪র্থ ধাপে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যাঃ এসব জেলার ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮ জন চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে এসব প্রার্থীদের মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো।

সতর্কতাঃ পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ভ্যানিটি ব্যাগ, পার্স, ইলেকট্রনিক ঘড়ি বা যে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখতে পারবেন না। যদি কোনো পরীক্ষার্থী এসব জিনিস সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হবে।

আমদের পেইজে লাইক দিন গ্রুপে যোগ দিন
পরীক্ষার ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনাঃ পরীক্ষার ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনা এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুন
প্রবেশপত্র ডাউনলোডঃ ২২ অক্টোবর ২০১৫ তারিখ থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।

প্রবেশপত্র ডাউনলোড করুন এই এই লিঙ্ক থেকে।

এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য ৩য় দফায় ২২ জেলার লিখিত পরীক্ষা ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত এক ঘণ্টা ২০ মিনিট এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
৩য় দফায় যে জেলা গুলোতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, খুলনা, জামালপুর, নেত্রকোনা, নরসিংদী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারি ও লালমনিরহাট।
৩য় দফায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যাঃ ২২ জেলায় ৪৪৭টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা তিন লাখ ৪৩ হাজার ২৫৭ জন।
দ্বিতীয় দফায় যে জেলা গুলোতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিলোঃ জয়পুরহাট, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা, পঞ্চগড় ও বাগেরহাট।
১৭ জেলায় মোট পরীক্ষার্থীঃ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৫ জন পরীক্ষার্থী ২য় দফায় অংশ নেয়।
১ম দফায় যে জেলা গুলোতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিলোঃ প্রথম দফায় গত ২৭ জুন নড়াইল, মেহেরপুর, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও ফেনী জেলায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

 

পরীক্ষাফলাফলঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ২২ জেলার লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় নড়াইল, মেহেরপুর, মুন্সিগঞ্জ শরীয়তপুর, ফেনী, জয়পুরহাট, চুয়াডাংগা, মাগুরা, বাগেরহাট, শেরপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, পিরোজপুর, ঝালকাঠী, বরগুনা, ভোলা ও পঞ্চগড় জেলার ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলাফল দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

পরীক্ষা পদ্ধতিঃ প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এবারই প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও বিতরণ করে পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৩) আওতায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, যার আওতায় প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

আদালতের রায়ে স্থগিত থাকা আরেকটি বিজ্ঞপ্তির আওতায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার বিষয়ে রিভিউ করা হবে বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন মন্ত্রনালয়ের এক কর্মকর্তা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়া গত ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ থেকে থেকে শুরু হয়ে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। আবেদন ফি ধার্য করা হয় ১৬৬ টাকা ৫০ পয়সা।
গত ১০ ডিসেম্বর বুধবার এই সঙ্ক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৩) আওতায় অস্থায়ীভাবে প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ছাড়া সারা দেশ থেকে এ পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করার সুযোগ পায় প্রার্থীরা। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি নিচে তুলে দেওয়া হলোঃ

(২) এ বিজ্ঞপ্তির অধীনে আগ্রহী প্রার্থীগণকে অনলাইনে দরখাস্ত করতে হবে। সে লক্ষ্যে এই লিঙ্কে ক্লিক করলে একটি আবেদন ফরম পাওয়া যাবে। লিংকে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা মোতাবেক অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। Online-এ আবেদনপত্র পূরণ করে Submit করার পর Application Copy প্রিন্ট করতে পারবে। Application Form প্রিন্ট করার পর প্রয়োজনে একাধিকবার পড়ে নিতে হবে। যদি Application -এ কোন সংশোধনি থাকে তবে তাকে পুনরায় Application Form পূরণ করতে হবে। ত্র“টিপূর্ণ Application-এ কোন অবস্থাতেই SMS এর মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দেয়া উচিত হবে না। একবার আবেদন ফি জমা দেয়ার পর Application Form- কোন অবস্থাতেই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। সঠিকভাবে পূরণকৃত Application Copy এর User ID দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
(৩) অনলাইনে আবেদন ফি গ্রহণ শুরুর তারিখ- ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ (সকাল- ১০:৩০মিনিটি), শেষ তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৫ (রাত-১১:৫৯ মিনিট)।
(৪) কেবলমাত্র User ID প্রাপ্ত প্রার্থীগন উক্ত সময় পরবর্তী ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত SMS-এ ফি প্রদান করতে পারবেন। আবেদনকারীকে ১টি USER ID এবং Password দেয়া হবে। উক্ত USER ID এবং Password সব সময়ের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।
(৫) অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর SMS-এ অবশ্যই ফি প্রদান করতে হবে। ফি প্রদানের পরই কেবল আবেদনটি চূড়ান্তভাবে গৃহিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(৬) পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থাদি চূড়ান্ত করার পর প্রত্যেক যোগ্য আবেদনকারীকে SMS-এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং তিনি উপরোক্ত ওয়েবসাইটের লিংক ব্যবহার করে পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। USER ID এবং Password সহ অন্যান্য তথ্য পুন: উদ্ধারের জন্য উক্ত লিংকে প্রার্থীর নিজস্ব তথ্য দিয়ে উদ্ধার করা যাবে।
(৭) আবেদনকারী যে উপজেলা/থানার স্থায়ী বাসিন্দা তাঁর প্রার্থিতা উক্ত উপজেলা/থানার জন্য বা অনুকূলে নির্ধারিত থাকবে এবং তাঁর নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম তদনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে।
(৮) প্রচলিত কোটানীতি অনুসরণপূর্বক মেধাক্রমানুসারে (উপজেলা/থানাওয়ারী) তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৩) এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট পদসমূহে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করে নিয়োগ দানের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
(৯) বিবাহিতা মহিলা প্রার্থীগণ দরখাস্তে তাঁদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানায় দরখাস্ত করতে পারবেন। তবে এ দু’টি স্থায়ী ঠিকানার মধ্যে তিনি যেটি দরখাস্তে উল্লেখ করবেন তাঁর প্রার্থিতা সেই উপজেলা/থানার কোটায় বিবেচিত হবে। মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র কন্যা এবং পুত্র কন্যার পুত্র কন্যা মুক্তিযোদ্ধার সšতান কোটায় বিবেচিত হবেন;
(১০) প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬.৫০/- (একশত ছিষট্টি টাকা পঞ্চাশ পয়সা) টাকা যেকোন টেলিটক মোবাইল নম্বর হতে SMS-এর মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে।
(১১) ১২ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বৎসরের মধ্যে হতে হবে। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও প্রতিবন্ধীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বৎসর হবে। বয়স নিরূপণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।
(১২) অসত্য/ভুয়া তথ্য সংবলিত/ক্রটিপূর্ণ/অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র কোন কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত/প্রদত্ত কোন তথ্য বা কাগজপত্র নিয়োগ কার্যক্রম চলাকালে যে কোনো পর্যায়ে বা নিয়োগপ্রাপ্তির পরেও অসত্য/ভুয়া প্রমাণিত হলে তাঁর দরখাস্ত/নির্বাচন/নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং মিথ্যা/ভুয়া তথ্য সরবরাহ করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত/প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
(১৩) প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর নিুবর্ণিত কাগজপত্রাদির অনুলিপি ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে:
(ক) শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সকল প্রকার মূল/সাময়িক সনদপত্র;
(খ) সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কতৃক প্রদত্ত নাগরিক সনদপত্র;
(গ) মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনকারী প্রার্থীর ক্ষেত্রে সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের পিতা/মাতা অথবা পিতা/মাতার পিতা/মাতা এর মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র;
(ঘ) প্রার্থীর সাথে মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্ক উল্লেখপূর্বক প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র;
(ঙ) এতিম প্রার্থীর ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক রেজিস্ট্রিকৃত এতিমখানা/শিশুসদন কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(চ) প্রতিবন্ধী প্রার্থীর ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(ছ) পোষ্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক সদ্য (১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখের পূর্বে স্বাক্ষরিত নয়) প্রদত্ত পোষ্য সনদপত্র;
(জ) আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য
এ মর্মে জেলা আনসার অ্যাডজুট্যান্ট কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(ঝ) উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্র্তা কর্তৃক প্রদত্ত উপজাতীয় পরিচয় বিষয়ক সনদপত্র;
(ঞ) লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি;
(১৪) উপরোক্ত তথ্যাদি মোতাবেক প্রাথমিক বাছাইয়ের পর কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় কেবলমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট জেলায় নির্ধারিত তারিখে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের অনুমতি দেয়া হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার টিএ-ডিএ প্রদান করা হবে না।
(১৫) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন ‘সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩’-এ বর্ণিত নিয়মানুযায়ী মেধা ও কোটা অনুসারে নিয়োগ দেয়া হবে। সে অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীকে যে উপজেলা/থানায় নিয়োগ দেয়া হবে তাঁকে আবশ্যিকভাবে সে উপজেলা/থানায় চাকুরি করতে হবে।
(১৬) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩-এর কোটা পদ্ধতির ব্যাখ্যা অনুযায়ী ‘পোষ্য’ অর্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক/প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োজিত আছেন বা ছিলেন এমন শিক্ষকের অবিবাহিত সন্তান, যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল আছেন বা তিনি জীবিত থাকিলে বা চাকুরিতে থাকিলে সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল থাকিতেন এবং উক্ত শিক্ষকের বিধবা স্ত্রী বা বিপতœীক স¦ামী বা তালাকপ্রাপ্তা কন্যা (যেক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য) যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল ছিলেন বা ক্ষেত্রমত, তিনি জীবিত থাকিলে অনুরূপভাবে নির্ভরশীল থাকিতেন। মৌখিক পরীক্ষার সময় পোষ্য প্রার্থীদেরকে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত তিনি পোষ্য ছিলেন মর্মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সনদ দাখিল করতে হবে। উল্লিখিত সনদ দাখিল করতে কোন প্রার্থী ব্যর্থ হলে তিনি পোষ্য কোটার পরিবর্তে সাধারণ কোটার প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন।

(১৭) নির্বাচিত প্রার্থীকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাদান সংক্রান্ত বিশেষ ধরণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। শুধুমাত্র উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদেরকে রাজস্বখাতে সৃজিতব্য সহকারী শিক্ষক পদে নিয়মিত বেতন স্কেলে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ প্রদান করা হবে।
(১৮) তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৩) এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ ও চাকুরির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক আরোপিত শর্তাবলী প্রযোজ্য হবে।
(১৯) এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কারণে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা গ্রহণ কিংবা প্রার্থীত পদে নিয়োগ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে না।

প্রবেশপত্র ডাউনলোড করুন এখান থেকেঃ

প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 548 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট “লেখাপড়া বিডি”র একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স সম্পন্ন করছেন ।

Ads by Wizards

4 comments

  1. জানতে পেরে ভালো লাগল। ধন্যবাদ

  2. আমি কী ৩য় দফা পরীক্ষায়য় অংশ গ্রহন করতে পারবো? আমি ২০১৪ সালে H.S.C পাস করেছি GPA 3.30 পেয়ে। যদি আমি অংশ গ্রহন করি তাহলে আমাকে কী করতে হবে? দয়া করে যদি জানান খুসি হবো।

  3. টেলিটক সিম দিয়ে কিভাবে পরিবক্ষার ফি প্রদান করব

  4. যথা সময়ে তথ্য পাবার জন্য আমরা আপনার সাথে আছি। ধন্যবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।