web site hit counter

যারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন বা পাননি তাদের করণীয় সকল নির্দেশনা


২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির ১ম, ২য় ও ১০ জুলাই ২০১৬ তারিখ প্রকাশিত অবশিষ্ট অপেক্ষমাণ তালিকা (অনলাইন/SMS এ সব আবেদনকারী) থেকে বিলম্ব ফিসহ ভর্তি ও নিশ্চায়ন (মেধাক্রম অনুসারে) ১০-১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

এরপর ১৩ জুলাই থেকে ২০ জুলাই ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত উন্মুক্তভাবে ভর্তি করানো হবে। যে সকল শিক্ষার্থী পূর্বে এসএমএস কিংবা অনলাইনে আবেদন করেনি তারাও এই পদ্ধতিতে ভর্তি হতে পারবে। এক্ষেত্রে কলেজে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে কলেজ কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত সর্বনিম্ন জিপিএ’র ভিত্তিতে উন্মুক্তভাবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বিলম্ব ফিসহ ভর্তি চলবে।

উল্লেখ্য যে, কলেজ কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত সর্বনিম্ন জিপিএ-এর নিচে কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানো হলে তার রেজিস্ট্রেশন করা হবে না।

গত ১৬ জুন ২০১৬ তারিখে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির শিক্ষার্থীদের মেধা, পছন্দক্রম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আসন সংখ্যার ভিত্তিতে ১ম মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর অপেক্ষমাণ তালিকার আবেদনকারীদের জন্য ১ম অপেক্ষমাণ তালিকা ২৪শে জুন, ২য় অপেক্ষমাণ তালিকা ২৮শে জুন ও অবশিষ্ট অপেক্ষমাণ তালিকা ১০ জুলাই  প্রকাশ করা হয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক যারা ১ম মেধাতালিকা ও অপেক্ষমাণ তালিকায় সুযোগ পেয়েছেন কিংবা যারা এখনো সুযোগ পাননি তাদের জন্য বোর্ড কি ধরনের নির্দেশনা দিয়েছে।

ভর্তি ও ক্লাশ শুরুর সময়সূচীঃ

  • আসনের বিপরীতে নির্বাচিত (Selected) শিক্ষার্থী ভর্তি ও নিশ্চায়ন এর সময়সীমাঃ ১৮/০৬/২০১৬ থেকে ২২/০৬/২০১৬।
  • অপেক্ষমাণ তালিকার আবেদনকারীদের জন্য পরবর্তী মেধাতালিকা প্রকাশঃ ২৪শে জুন ২০১৬।
  • ১ম অপেক্ষমাণ তালিকায় সুযোগ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তির তারিখ: ২৫/০৬/২০১৬ থেকে ২৭/০৬/২০১৬।
  • ২য় অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশঃ ২৮শে জুন ২০১৬।
  • ২য় অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি ও নিশ্চায়নঃ ২৮/০৬/২০১৬ থেকে ৩০/০৬/২০১৬।
  • ক্লাস শুরুঃ ১০/০৭/২০১৬।
  • অবশিষ্ট অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশঃ ১০ জুলাই ২০১৬ তারিখ।
  • ১ম, ২য় ও ১০ জুলাই ২০১৬ তারিখ প্রকাশিত অবশিষ্ট অপেক্ষমান তালিকা (অনলাইন/SMS এ সব আবেদনকারী) থেকে বিলম্ব ফিসহ ভর্তি ও নিশ্চায়ন (মেধাক্রম অনুসারে)ঃ ১০-১২ জুলাই ২০১৬।
  • কলেজে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে কলেজ কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত সর্বনিম্ন জিপিএ’র ভিত্তিতে উন্মুক্তভাবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বিলম্ব ফিসহ ভর্তিঃ ১৩ জুলাই থেকে ২০ জুলাই ২০১৬ ( এই পদ্ধতিতে কলেজ কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত সর্বনিম্ন জিপিএ-এর নিচে কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানো হলে তার রেজিস্ট্রেশন করা হবে না)।

ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী করণীয় কার্যাবলী

 

যারা মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকায় সুযোগ পেয়েছেন তাদের জন্য যা করণীয়ঃ

  • ভর্তির ফলাফল প্রিন্টকরণঃ শিক্ষার্থী তার রোল নম্বর, বোর্ডের নাম এবং পাসের সন এন্ট্রি দিয়ে ভর্তির ওয়েবসাইটে Login করলে শিক্ষার্থীর নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম,গ্রুপ/শিফট/ভার্সন ভিত্তিক নির্বাচিত/অপেক্ষমান মেধাক্রম ও অন্যান্য তথ্যসমূহ দেখতে পাবে এবং প্রয়োজনে উক্ত ফরমটি প্রিন্ট নিতে পারবে।

পিন ভুলে গিয়ে থাকলে এখানে ক্লিক করুন

  • সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিঃ শিক্ষার্থী প্রিন্টকৃত ভর্তি ফরমটি অথবা SMS-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল নিয়ে সংশিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য যোগাযোগ করবে। এখানে উল্লেখ্য যে, শিক্ষার্থী যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবে, সেই প্রতিষ্ঠানের ভর্তি
    কমিটিতে ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য SMS-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত PIN কোড প্রদান করবে।
  • ভর্তি হতে যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবেঃ এসএসসির প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রশংসা পত্রের ফটোকপি এবং অন-লাইনে প্রাপ্ত এসএসসি পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট এর কপি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হবে। কোন শিক্ষার্থী কোটায় নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীকে ঐ কোটা সম্পর্কিত প্রামান্য কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কমিটির নিকট জমা দিতে হবে।

ভর্তি ফিঃ

  • মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকূল্যে ১ হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় ২ হাজার টাকা এবং ঢাকা ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি হবে না।
  • ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৫ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিও বর্হিভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও এমপিও বর্হিভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফি বাবদ বাংলা মাধ্যমে ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন খাতে কোনো প্রতিষ্ঠান ৩ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না।
  • কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অনুমোদিত ফি’র বেশি নেওয়া যাবে না এবং অনুমোদিত সব ফি গ্রহণের ক্ষেত্রে যথাযথ রশিদ প্রদান করতে হবে।
  • দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো উল্লিখিত ফি যতদূর সম্ভব মওকুফের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

যারা অপছন্দের কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন কিন্তু অন্য কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী তাদের ক্ষেত্রে…

  • কোন শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিখিত ভাবে আবেদন করতে হবে। একবার ভর্তি বাতিল করলে- ঐ প্রতিষ্ঠানে আর ভর্তির সুযোগ থাকবে না। একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চায়ন বাতিল না করে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যাবে না।

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 535 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট "লেখাপড়া বিডি"র একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। বর্তমানে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স করছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজে।


পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ দিন। ফেইসবুকে শিক্ষা বিষয়ক তথ্য পেতে আমাদের গ্রুপে যোগ দিন অথবা পেইজ এ লাইক দিয়ে রাখুন

6 comments

  1. সার আমার মোবাইল খেকে otp পাসওয়ার্ড হারিয়ে গেছে? কিন্ত নতুন করে কোন otp পাসওয়ার্ড দেওয়া হচ্ছে না । কোন উপায় আছে ? দয়া সাহায্য করবেন।

  2. জুবায়ের আহমেদ

    আসসালামু আলাইকুম,
    ভাই আমি আপনাদের ভর্তি সম্পর্কে সব লেখা পড়েছি।
    অত্যন্ত ভালো এই লেখা গুলো।

    আমাকে একটি মাদ্রাসায় না জানিয়ে ভর্তি করা হয়ে গেছে, কিন্তু এই মাদ্রাসা টি আমার পছন্দ না।
    আমি চাইছিলাম আমার পছন্দ মতো অন্য একটি মাদ্রাসায় ভর্তি হব,,,”
    কিন্তু বুজতে পারছিনা, এখনো ভর্তির সময় আছে কি না?
    দয়া করে আমাকে কিছু সাহায্য করুন?

  3. Vaiya ami to golden paoyer poreo kono college a chance pai ni . Akhon ami ke korbo . Kindly janaben plz.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.