পলিটেকনিক/ সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ২য় শিফটে ভর্তির বিস্তারিত তথ্য

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে পলিটেকনিক/ সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে  ভর্তির জন্য ১৯/০৬/২০১৫ তারিখ হতে ২৯/০৬/২০১৫ তারিখ পর্যন্ত অন-লাইনে আবেদন প্রক্রিয়া চলে। আবেদন ফরম পূরণের পূর্বে টেলিটক প্রিপেইড মোবাইলের মাধ্যমে ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ ) টাকা আবেদন ফি জমা দিতে হয়েছিলো।

পলিটেকনিক/ সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ২য় শিফটে ভর্তির সময়সূচী

মোবাইল থেকে ফলাফল দেখতে সমস্যা এখানে ক্লিক করুন

ভর্তি আবেদনের যোগ্যতাঃ

২০১৫, ২০১৪, ২০১৩, সনে এস.এস.সি/ সমমান পরীক্ষায় সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে কমপক্ষে জিপি ৩.০০ সহ নুন্যতম ৩.৫০ জিপিএ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

ভর্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ সমূহঃ

  • অন-লাইনে আবেদনের সময়সীমাঃ ১৯/০৬/২০১৫ হতে ২৯/০৬/২০১৫ (রাত ১২:০০ টা পর্যন্ত)
  • ফলাফল প্রকাশ (SMS এর মাধ্যমে ও ওয়েবসাইটে): ০২/০৭/২০১৫ বিকাল ০৫:০০ টা
  • মূল মেধাতালিকা হতে ভর্তির সময়সীমাঃ ০৩/০৭/২০১৫ হতে ০৬/০৭/২০১৫ পর্যন্ত
  • অপেক্ষমান তালিকা হতে ভর্তির সময়সীমাঃ ০৭/০৭/২০১৫ হতে ১৫/০৭/২০১৫ পর্যন্ত
  • দ্বিতীয় অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশঃ ১১/০৭/২০১৫ বিকাল ০৫:০০ টা
  • ক্লাশ শুরুর তারিখঃ ০১/০৯/২০১৫

মেধাতালিকা প্রণয়নের ভিত্তিঃ

(ক) এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট গ্রেড পয়েন্ট (জিপি) এর ভিত্তিতে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে।

(খ) সমান গ্রেড পয়েন্ট (জিপি) পাওয়া প্রার্থীদের বাছাই এর ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত অথবা উচ্চতর গণিত / জীব বিজ্ঞান, এ প্রাপ্ত জিপি বিবেচনা করা হবে।

(গ) ”খ ” অনুচ্ছেদের আলোকে প্রার্থী নির্বাচন করা সম্ভব না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজী, পদার্থ বিজ্ঞান বা রসায়নে প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্ট বিবেচনা করা হবে।

ভর্তির বিশেষ নীতিমালা:

১. ভর্তির জন্য মেধা ও কোটা ভিত্তিক মোট আসন সংখ্যার সমসংখ্যক একটি মূল তালিকা এবং একটি অপেক্ষমান তালিকা প্রণয়ন করা হবে।

২. মূল তালিকা থেকে ভর্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আসন সংখ্যা পূরণ না হলে ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের তাদের মেধা ও পছন্দের ক্রমানুসারে অটো মাইগ্রেশন (প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি) শেষে শূন্য আসনে অপেক্ষমান তালিকা হতে সময়সূচী অনুযায়ী কোটা ও মেধার ক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।
৩. সংরক্ষিত কোটাঃ মহিলা-২০%, এসএসসি(ভোকেশনাল)-১৫%, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আবেদনকারীদের –ঢাকা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রতিটিতে ৪টি করে ও অন্যান্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২টি করে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের প্রতি টেকনোলজিতে প্রতি গ্রুপে ২টি করে, প্রতিবন্ধী ৫% এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর সন্তানদের জন্য ২% আসনে মেধা ও আবেদন ফরমে বর্ণিত পছন্দের ভিত্তিতে কোটা সংরক্ষণ করে ভর্তি করা হবে। এসএসসি সহ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাস প্রার্থীদের ট্রেড কোর্সে প্রাপ্ত নম্বরের ও এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধা নির্ধারণ করা হবে এবং তাদেরকে ৫% সংরক্ষিত আসনে ভর্তি করা হবে।
৪. কোটা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
(ক) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র,
(খ) মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রদত্ত সনদপত্র,
(গ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এর অধীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/দপ্তর/প্রতিষ্ঠান প্রধানের সনদপত্র, প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের সমাজসেবা অধিদপ্তর হতে প্রদত্ত সনদ এবং
(ঘ) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্সধারীদের সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপিসহ আবেদনকারীর Track Number সম্বলিত প্রিন্ট আউটসহ আবেদনপত্র নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ডাকযোগে/সরাসরি অফিস চলাকালীন সময়ে অত্র অধিদপ্তরে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তার কোটা বিবেচিত হেব না। ট্রেড কোর্সধারী শিক্ষার্থীদের ট্রেড সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তি করা হবে। সংরক্ষিত আসন কোটা ভিত্তিক পূরণের পর কোন আসন শূণ্য থাকলে তা সাধারণ মেধা তালিকা হতে পূরণ করা হবে।
৫. ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে কেউ ক্লাস শুরুর ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল করতঃ উক্ত শূণ্য আসনে পরবর্তী ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিত ও ভর্তিচ্ছুকদের তালিকা হতে মেধার ক্রমানুসারে পূরণ করা হবে।৬. ড্রপ আউট বিবেচনা করে প্রত্যেক টেকনোলজির জন্য নির্দিষ্ট আসন সংখ্যার সর্বাধিক ২০% অতিরিক্ত ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হবে।৭. ভর্তির বিস্তারিত চূড়ান্ত ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সংরক্ষণ করে।

৬. ড্রপ আউট বিবেচনা করে প্রত্যেক টেকনোলজির জন্য নির্দিষ্ট আসন সংখ্যার সর্বাধিক ২০% অতিরিক্ত ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হবে।৭. ভর্তির বিস্তারিত চূড়ান্ত ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সংরক্ষণ করে।

ভর্তির আবেদন করার পদ্ধতি ও নিয়মাবলী:

১. ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে প্রথমে আবেদন ফি জমা ও ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ ) টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইলের মাধ্যমে 16222 নম্বরে SMS করে জমা দিতে হবে। অতঃপর এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে নির্ধারিত আবেদন ফরম (Application Form) যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের নম্বর পত্রের সত্যায়িত কপি ও পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত রঙ্গীন ছবিসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন পত্র ডাকযোগে/অফিস চলাকালীন অত্র অধিদপ্তরে জমা দিতে হবে। সংরক্ষিত কোটার আবেদন কারীগণ অন লাইনে আবেদন করার পরে আবেদনের প্রিন্ট আউট কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ ২৯/০৬/২০১৫ তারিখের মধ্যে ডাকযোগে/সরাসরি অফিস চলাকালীন সময়ে অত্র অধিদপ্তরে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। অন্যখায় তার কোটা বিবেচিত হবে না।

২. ফি জমা দেয়ার পদ্ধতিঃ  টেলিটকের Prepaid মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেজ অপশনে গিয়ে DTE লিখে, স্পেস দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখে, স্পেস দিয়ে এস এস সি (SSC) পরীক্ষার রোল নম্বর লিখে , স্পেস দিয়ে এস এস সি পাশের সাল লিখে, স্পেস দিয়ে এস এস সির রেজিষ্ট্রেশন নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এস এম এস (SMS) করতে হবেঃ

উদাহরণঃ DTE <Space>XXX<Space>YYYYYY<Space>ZZZZ<Space>RRRRRR

এখানে XXX এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের বোর্ডের নাম লিখতে হবে, ঢাকা বোর্ডের ক্ষেত্রে (DHA), সিলেট এর ক্ষেত্রে (SYL), বরিশালের ক্ষেত্রে (BAR), চট্টগ্রাম এর ক্ষেত্রে (CHI), কুমিল্লা এর ক্ষেত্রে (COM), দিনাজপুর এর ক্ষেত্রে (DIN), যশোর এর ক্ষেত্রে (JES), রাজশাহী এর ক্ষেত্রে (RAJ), মাদ্রাসা এর ক্ষেত্রে (MAD), কারিগরী এর ক্ষেত্রে (BTE)

YYYYYY এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের এস এস সি পরীক্ষার রোল নম্বর

ZZZZ এর জায়গায় এস এস সি পাশের সন এবং

RRRRRR এর জায়গায় এস এস সি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর লিখতে হবে।

SMS –প্রেরণকারী আবেদনের যোগ্য হলে ফিরতি SMS –এ একটি PIN , প্রার্থীর নাম, পিতার নাম এবং পরীক্ষার ফি হিসেবে ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ ) টাকা কেটে রাখার সম্মতি চেয়ে ফিরতি SMS দেওয়া হবে। প্রার্থীকে তার নাম, পিতার নাম ইত্যাদি তথ্যাদি মনোযোগের সাথে দেখে নিয়ে তথ্যাদি সঠিক থাকলে সম্মতি দিতে হবে। সম্মতি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ভাবে ১৬২২২ নম্বরে SMS পাঠাতে হবে ।

উদাহরণঃ DTE <Space>YES<Space>PIN<Space>Your mobile number

PIN নম্বরটি সঠিক ভাবে লেখা হলে উক্ত টেলিটকের prepaid মোবাইল থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ ) টাকা কেটে রাখা হবে এবং প্রার্থীকে একটি Money Receipt Number সহ ফিরতি SMS দেয়া হবে।

উল্লেখ্য যে Money Receipt Number টি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে হবে এবং Money Receipt Number টি পাওয়ার পরে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। Money Receipt Number ছাড়া কোনক্রমেই আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে না।

আবেদন ফরম পূরণের ধাপঃ

  • এই লিঙ্কে ক্লিক করে application form open করতে হবে ।
  • Screen এ প্রদর্শীত  application form এর চাহিদা মোতাবেক তথ্যাদি লিপিবদ্ধ/নির্বাচন, entry/selection (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) করতে হবে ।
  • Application form পূরণ শেষে Submit button এ ক্লিক করে ফিরতি message এর print out নিতে হবে । উক্ত print out এ প্রদত্ত Track number ভর্তি পরীক্ষার রোল নং হিসেবে বিবেচিত হবে । কোন কারণে Track number সহ ফিরতি message print out নিতে ব্যর্থ্ হলে পুনরায় একই ভাবে application form পুরণের চেষ্টা করতে হবে।
  • ভর্তির ফরম পূরণের বিস্তারিত তথ্যাদি ওয়েবসাইট হতে print out নেয়া যাবে ।

.একজন প্রার্থী যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে টেকনোলজিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক তাহা প্রতিষ্ঠান–টেকনোলজি ভিত্তিক পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে হবে ।
উদাহরণঃ ঢাকা-সিভিল, কুমিল্লা-সিভিল, ঢাকা-ইলেকট্রিক্যাল এভাবে সর্বোচ্চ দশটি অপশন নির্বাচন করা যাবে।
৪. একজন প্রার্থী আবেদনপত্র পুরনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কেবলমাত্র একবার সংশোধনের সুযোগ পাবে ।
৫. মেধা, কোটা ও আবেদনপত্রে প্রদত্ত পছন্দের ক্রমানুসারে ইনষ্টিটিউট-টেকনোলজী ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে।

৬.  আবেদনের সময় পাসপোর্ট আকারের রঙ্গীন ছবি দিতে হবে।
৭. আবেদন ফরম button এ click করলে তিনটি অপশন প্রদর্শিত হবে New Application, Update submitted form এবং View submitted form
৮. আবেদনকারী নতুন হলে New Application button এ click করবে।
৯. টাইপ Money Receipt Number, SSC Registration Number তারপর Verify Button এ Click করতে হবে। [ যদি আবেদনকারী জিপিএ ৩.৫ অথবা এর বেশি এবং সাধারণ গনিত অথবা উচ্চতর গনিত এ জিপি ৩ এর বেশি হয় তাহলে আবেদনকারীর বিস্তারিত তথ্য নীচে প্রদর্শিত হবে।] ১০. বাধ্যতামূলক ফিল্ডগুলো (*) অবশ্যই পূরন করতে হবে ।
১১. আবেদনকারী যদি একাধিক কোটাভূক্ত হয় তাহলে একাধিক কোটা Select করতে পারবেন।
১২. সকল তথ্য সঠিক হওয়া সত্ত্বেও আবেদন করতে অক্ষম হলে হেল্প লাইন এর প্রর্দশিত ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন।
১৩. আবেদনকারী সর্বোচ্চ দশটি Institute এর দশটি Department চয়েস করতে পারবেন।
১৪. আবেদনকারী একটি Institute এর মধ্যে দশটি Department অথবা একটি Institute এর কয়েকটি Department অথবা ভিন্ন Institute এর ভিন্ন Department চয়েস করতে পারবেন।
১৫. আবেদনকারী Choice 1 Radio Button এ Click করলে Institute এর নাম আসবে , Institute Select করলে এই Institute এর Department প্রদর্শিত হবে, চয়েস অনুযায়ী Department select করবেন এবং Save Choice Button এ অবশ্যই Click করবেন। Similarly Choice 2 Radio button click করে ভিন্ন চয়েস করতে পারবেন।
১৬. আবেদনকারী চয়েস শেষ হয়ে গেলে Submit Button এ Click করতে হবে । তারপর Feedback form প্রদর্শিত হবে । যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে আবেদনকারী Save Button এ Click করবেন।
১৭. আবেদনকারীকে অবশ্যই Track Number টা নোট করে রাখতে হবে, কারণ এই Track Number টা পরবর্তীতে Result এ ব্যাবহার করতে হবে।
১৮. ফরম Submit করার পর আবেদনকারী যদি তথ্য আপডেট করতে চান, তাহলে আবেদন ফরম থেকে Update Submitted form এ click করতে হবে এবং Track Number দিয়ে আবেদনকারী শুধু মাত্র একবার তথ্য আপডেট করতে পারবেন।
১৯. ছবির সর্বোচ্চ সাইজ ১৫০ kb এবং সর্বোচ্চ প্রস্থ, উচ্চতা যথাক্রমে ৩০০, ৩৬০ হতে হবে।
২০. মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র অবশ্যই jpg ফরমেটে হতে হবে। সনদপত্রের scan copy অবশ্যই 120kb এর মধ্যে হতে হবে।

ভর্তির ফলাফলঃ

০২/০৭/২০১৫ তারিখ  বিকাল ০৫:০০ টায় ফলাফল প্রকাশ করা হবে। প্রকাশ হওয়ার পর ফলাফল এই লিঙ্ক থেকে জানা যাবে।

হেল্পলাইনঃ

আবেদনকারী যদি আবেদন ফরম পুরণ করার সময় কোন রকম সমস্যার সম্মুক্ষীণ হন তাহলে নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারবেন :

ই-মেইল: admissionpoly2015@gmail.com

বাংলাদেশের সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর আসন সংখ্যা ও বিষয় তালিকা জানতে ক্লিক করুন এখানে

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 540 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট "লেখাপড়া বিডি"র একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স সম্পন্ন করছেন ।

One comment

  1. আমি কয়েক জনের কাছে শুনেছি ঘোস দিয়ে অর্থাং টাকা দিয়ে সরকারি পলিটেকনিকে চান্স পাওয়া যায়,এটা কি সত্য। আর একটা কথা, আমার পয়েন্ট ৩.৭২ আমার কি কোনো পলিটেকনিকে চান্স পাওয়ার আশা থাকবে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.