২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে এসএমএস ও অনলাইনে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত কলেজ/সমমান প্রতিষ্ঠান সমূহে একাদশ শ্রেণিতে এসএমএস ও অন-লাইনে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া ০৯ মে থেকে শুরু হয়ে ২৬ মে পর্যন্ত চলবে। আবেদন প্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১ম পর্যায়ে নির্বাচিতদের তালিকা বা ফলাফল ০৫ জুন প্রকাশ করা হবে। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাশ শুরু হবে ১ জুলাই ২০১৭ তারিখ থেকে।

বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি করা হবে। তবে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই নির্বাচিত কলেজে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে পারবে। গতবারের মত এবারো এসএমএস এর পাশাপাশি অনলাইনেও অাবেদন করা যাবে তবে এবার প্রার্থী সর্বনিম্ন ০৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের জন্য আবেদন করতে পারবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ একটি কলেজ নির্ধারণ করে মনোনীত করবে। মনোনীত কলেজটি পরিবর্তন করতে চাইলে এসময় মাইগ্রেশনেরও সুযোগ থাকবে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক আবেদন প্রক্রিয়াঃ

একাদশ শ্রেণিতে আবেদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় লিঙ্কঃ

HSC Admission Application Process 2017-18

কলেজে ভর্তির আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা ডাউনলোড করুন।

কলেজে ভর্তির নীতিমালা সহ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ঢাকা বোর্ড এর সকল কলেজ এর তালিকা ও আবেদনের যোগ্যতা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

বাংলাদেশের সকল কলেজের EIIN নম্বর ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

অনলাইনে আবেদন এর লিঙ্কঃ www.xiclassadmission.gov.bd

পিন ভুলে গিয়ে থাকলে এখানে ক্লিক করুন

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফলাফল জানতে ও ফলাফল পরবর্তী ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন।

SMS এর মাধ্যমে যেভাবে ভর্তির আবেদন করবেন-

HSC admission SMS Application Process 2017-18

SMS এর মাধ্যমে আবেদন শুধুমাত্র টেলিটক প্রি-পেইড সংযোগ থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে। আবেদনের জন্য মোবাইল এর মেসেজ অপশনে গিয়ে এভাবে টাইপ করতে হবে-

CAD <space> ভর্তিচ্ছু কলেজ/মাদরাসার EIIN<space>ভর্তিচ্ছু গ্রুপের নামের প্রথম দুই অক্ষর <space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর<space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর <space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন <space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রেজিস্ট্রেশন নম্বর <space> ভর্তিচ্ছু শিফটের নাম <space>ভার্সন<space>কোটার নাম (যদি থাকে)

এরপর মেসেজটি send করতে হবে ১৬২২২ নাম্বারে।
উদাহরণ: CAD 696954 SC DHA 123456 2017 1212665968 M B FQ

  • এখানে 696954-ভর্তিচ্ছু কলেজ/সমমান প্রতিষ্ঠানের EIIN
  • SC-ভর্তিচ্ছু গ্রুপের নামের প্রথম দুই অক্ষর (Science= SC)
  • DHA-এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর
  • 123456-আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর
  • 2017-এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন
  • 1212665968- আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রেজিস্ট্রেশন নম্বর
  • M- শিফটের নামের প্রথম অক্ষর
  • B-ভার্সন এর প্রথম অক্ষর
  • FQ- মুক্তিযোদ্ধা কোটা)।

ভর্তিচ্ছু গ্রুপের কিওয়ার্ডঃ

* সাধারন বোর্ডঃ

Science এর জন্য SC

Humanities এর জন্য HU

Business Studies এর জন্য BS

Home Economics এর জন্য HE

Islamic Studies এর জন্য IS

* মাদরাসা বোর্ডঃ

Science এর জন্য MS

General এর জন্য GE

Muzabbid এর জন্য MU লিখতে হবে

Hifzul Quran এর জন্য HQ লিখতে হবে

* কারিগরি শিক্ষা বোর্ডঃ

[ HSCVOC – (Agro Machinery এর জন্য AM

Automobile এর জন্য AU

Building Maintenance and Construction এর জন্য BC

Clothing and Garments Finishing এর জন্য CG

Computer Operation and Maintenance এর জন্য CO

Drafting Civil এর জন্য DC

Electronic Works and Maintenance এর জন্য EW

Electronic Control and Communication এর জন্য EC

Fish Culture and Breeding এর জন্য FC

Machine Tools Operation and Maintenance এর জন্য MT

Welding and Fabrication এর জন্য WF

Industrial Wood Working এর জন্য IW

Wet Processing এর জন্য WP

Yarn and Fabric Manufacturing এর জন্য YF

Warehouse and Storekeeping এর জন্য WS,

Home Science এর জন্য VH)]

[ HSCBM (Accounting এর জন্য HA

Banking এর জন্য HB

Computer Operation এর জন্য HC

Entrepreneurship Development এর জন্য ED

Agriculture এর জন্য AG )] লিখতে হবে

শিফটের ক্ষেত্রেঃ
*Morning এর জন্য M

Day এর জন্য D

Evening এর জন্য E এবং

ভর্তিচ্ছু কলেজের যদি কোন শিফট না থাকে সে ক্ষেত্রে N লিখতে হবে।

ভার্সনের ক্ষেত্রেঃ

* বাংলা ভার্সনের ক্ষেত্রে B আর ইংলিশ ভার্সন এর ক্ষেত্রে E লিখতে হবে।

কোটার ক্ষেত্রেঃ

* মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য FQ এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধিনস্ত দপ্তরসমুহ, স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্যদের সন্তানদের কোটার জন্য EQ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত বিশেষ কোটার জন্য SQ লিখতে হবে।

কোন শিক্ষার্থী একাধিক কোটার আবেদন করার যোগ্যতা থাকলে কমা (,) দিয়ে একাধিক কোটা উল্লেখ করতে হবে। প্রবাসী কোটার ক্ষেত্রে PQ লিখতে হবে।

কোন ধরনের কোটা না থাকলে কোটার জায়গায় কিছু লিখতে হবেনা।

ফিরতি এসএমএস এ আবেদনকারীর নাম, কলেজ/মাদরাসার EIIN ও নাম, গ্রুপের নাম ও শিফট সহ ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি PIN প্রদান করা হবে।

আবেদনে সম্মত থাকলে Message অপশনে গিয়ে লিখতে হবে-

CAD<space>YES<space>PIN<space>CONTACT NUMBER (শিক্ষার্থীর/অভিভাবকের ব্যবহৃত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনঃনিবন্ধিত যে কোন মোবাইল নম্বর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

আবেদন ফিঃ গতবারের মতো এবারও অনলাইনে আবেদনের জন্য ১৫০ টাকা এবং এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের জন্য ১২০ টাকা ফি দিতে হবে। তবে এসএমএসে আবেদনের জন্য প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

একজন আবেদনকারী একাধিক প্রতিষ্ঠান/ একই প্রতিষ্ঠান এর একাধিক গ্রুপে/ একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক শিফটে আলাদা ভাবে আবেদন করতে পারবে, তবে এক্ষেত্রে প্রতিবারই ফি বাবদ ১২০/- টাকা কেটে নেওয়া হবে

অন-লাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করার পদ্ধতি-

HSC admission Online Application process 2017-18

আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে আবেদনের পূর্বে শিক্ষার্থীকে শুধুমাত্র টেলিটক মোবাইল (প্রি-পেইড) ব্যবহার করে অন-লাইনের আবেদন ফি SMS এর মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। প্রার্থীকে তার এসএসসি/সমমানের পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে টেলিটক সিম এর মাধ্যমে ১৫০/- টাকা ফি জমা প্রদান করতে হবে।

এর জন্য টেলিটক মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে এভাবে-

CAD<space>WEB<space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের Board এর নামের প্রথম তিন অক্ষর<space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের Roll<space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের Year<space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের Reg. No. লিখে 16222 নম্বরে সেন্ড করতে হবে।

ফিরতি এসএমএস এ আবেদনকারীর নাম এবং আবেদন ফি বাবদ ১৫০ কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন কোড প্রদান করা হবে।

ফি প্রদানে সম্মত থাকলে ম্যাসেজ অপসন এ গিয়ে CAD<space>YES<space>PIN<space>CONTACT NUMBER (বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনঃনিবন্ধিত মোবাইল নম্বর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফি সঠিকভাবে জমা হলে প্রার্থীর মোবাইলে নিশ্চিতকরণের একটি Transaction ID সহ SMS যাবে।

টেলিটকের মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি ১৫০ টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত website- এ (www.xiclassadmission.gov.bd)  Apply Online -এ Click করতে হবে।

এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে আবেদনকারী একটি ফরম পাবে, সেটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। একইভাবে সর্বনিম্ন ০৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে প্রার্থীকে।

আবেদন ফিঃ অন-লাইনে সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে আবেদনের জন্য ১৫০/- টাকা আবেদন ফি প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য, অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ১ টি কলেজে আবেদন করলেও ১৫০/- টাকা চার্জ করবে আবার ১০টি করলেও ১৫০/- চার্জ করবে। অর্থাৎ এসএমএস এ আবেদন পদ্ধতির মত কলেজ প্রতি আলাদা চার্জ করা হবে না।

আবেদনের সময়সীমাঃ ০৯ মে থেকে শুরু হয়ে ২৬ মে পর্যন্ত।

১ম মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ১ম মেধাক্রম ০৫ জুন এসএমএস এবং স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড বা ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডির এই লিঙ্কেও প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ০৯ থেকে ০৮ জুন পর্যন্ত।

মাইগ্রেশন আবেদন (অপশন প্রদান) ও নতুন আবেদনঃ  ০৯ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত।

২য় মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২য় মেধাক্রম ১৩ জুন এসএমএস এবং স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড বা ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডির এই লিঙ্কেও প্রকাশ করা হবে।

২য় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ১৪ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত।

পুনঃনিরীক্ষণ এর পর ফলাফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনাঃ যে সমস্ত শিক্ষার্থীর পুনঃনিরীক্ষণের পর ফলাফল পরিবর্তন হবে, তাদেরকে ৩০ মে থেকে ৩১ মে তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চাহিদাকৃত ন্যূনতম GPA ও অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে অবশ্যই ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে।

মাইগ্রেশন আবেদন (অপশন প্রদান) ও নতুন আবেদনঃ  ১৬ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত।

৩য় মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২য় মেধাক্রম ১৮ জুন এসএমএস এবং স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড বা ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডির এই লিঙ্কেও প্রকাশ করা হবে।

৩য় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ১৯ জুন।

ভর্তির সময়সীমাঃ মনোনীতদের তালিকা প্রকাশের পর ২০-২২ জুন এবং ঈদের ছুটির পর ২৮-২৯ জুন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করানো হবে।

নিবন্ধন ফিঃ মনোনীতদের তালিকা প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ১৮৫ টাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়ে নিবন্ধন করবেন, আগে কলেজ বোর্ডকে এ টাকা দিলেও এখন শিক্ষার্থীরা নিজেরাই বোর্ডকে টাকা জমা দেবে।

হেল্পলাইনঃ আবেদন সংক্রান্ত যে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন…

Help Line:

121 (Teletalk)

015 00 121 121-9

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 540 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট "লেখাপড়া বিডি"র একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স সম্পন্ন করছেন ।

27 comments

  1. তার মানে কি অনলাইনে আবেদন করলে ৫ টা কলেজ পছন্দ করলেও ১৫০ টাকা ফি। কিন্তু মোবাইলে করলে ৫*১২০=৬০০ টাকা লাগবে। এটাই কি?

  2. ভাই আপনি খুব ভালো লেখেন। আপনার জন্য রইল আমার অশেষ ভালোবাসা।

  3. আমি আবেদনে ৩টি কলেজ দিয়েছি, এখন আমি আরও দুটো কলেজ দিতে চাচ্ছি, আমি কি দিতে পারব??? আর কিভাবে দেব???

  4. I am Samiha Alam. I passed ssc this year and I already applied for 5 college but i want to edit my college now. Am i able to change? Thanks in advance.

    Regards

  5. ভাই অনলাইনে একবার আবেদন করার পর কলেজ পরিবর্তন করা যাবে কি?

  6. ভাই Submit application এ ক্লিক করার পর।। এই ইররটা ORA-01502: index or partition of such index is in usable
    আসতেছে কি করবো??

  7. উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এস এস সি পাশ করে কি এইবার সাধারণ কলেজ গুলো তে আবেদন করতে পারবে?????? জানাবেন plzz.. আবেদন করা গেলে নিয়ম টা বলে দিয়েন দয়া করে। জানাবেন ভাই।

    • মোঃ আব্দুল্লাহ্

      ধন্যবাদ। বাউবি হতে পাশ করা শিক্ষার্থী সরকার স্বীকৃত এবং প্রায় একই সমমান। আপনি যদি বাউবি হতে এসএসসি ২০১৪-১৬ সালের মধ্য পাশ করে থাকেন তাহলে জেনারেলসহ অন্যান্য বোর্ডে ভর্তির যোগ্য। যদি তার বেশী হয় তাহলে আপনি একটি কাজ করতে পারেন তথারুপ: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। দ্রুতভাবেই আপনার জেলার বাউবি অফিসে খবর নিন। উল্লেখ্য বাউবি হতে পাশের মান সরকার স্বীকৃত ও একই। তথাপি বাউবি এবারের শিক্ষাবর্ষ হতে আপডেট হয়েছে তথারুপঃ এবার ভর্তি হলে সনদপত্রে উল্লেখ থাকবে ২০১৯ সাল। অর্থাত জেনারেলের সাথে সমন্বয় করা হয়েছে, প্রায় একই সময়ে ফলাফল ও পরীক্ষা গ্রহন করা হবে। যাহা এতদিন বাউবিতে কিছুটা অসমন্বয় ছিল যেমনঃ ২০১৩ সনের এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ হত ২০১৬ তে। বাউবিতে ২ বছরের লেখাপড়ার খরচ পড়বে প্রায় ৬৫০০৳ মত। অবশ্য সকল বহি ফ্রি!!

    • আব্দুল্লাহ ভাই সঠিক কথাই বলেছেন। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন।

  8. এইচএসসি পাশ করার পর আলিমে ভর্তি হওয়া যাবে কি?

  9. http://www.xiclassadmission.gov.bd/ এই লিংক টাতে তো ঢোকা যায় না ভাই ……. কি করব….?

  10. কেউ আমার রোল ব্যবহার করে এসএমএস করে ফেললে আমি কি ব্যবস্থা নিতে পারি?

  11. আল মামুন মুন্না ভাই, আপনর ব্লগ সাইটটি আমার অনেক ভালো লাগে… আপনার ফেসবুক আইডিটি আমাকে দিন।

  12. উপকারি একটা পোষ্ট । ধন্যবাদ।

  13. পিনকোড/সিকিউরিটি কোড ভুলে গেলে (আসলে এস এম এস টা ভুলে ডিলিট হয়ে গেছে) কী করে ফেরত পেতে পারি ভাই?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.