২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালাসহ প্রয়োজনীয় সকল তথ্য জেনে নিন এখান থেকে

সরকারি-বেসরকারি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রকাশিত নীতিমালা অনুসারে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া ০৯ মে থেকে শুরু হয়ে ২৬ মে (পুনঃনিরীক্ষণের পর ফলাফল পরিবর্তিতদের ক্ষেত্রে ৩০-৩১ মে) পর্যন্ত চলবে। আবেদন প্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১ম পর্যায়ে নির্বাচিতদের তালিকা বা ফলাফল ০৫ জুন প্রকাশ করা হবে। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাশ শুরু হবে ১ জুলাই ২০১৭ তারিখ থেকে।

বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি করা হবে। গতবারের মত এবারো এসএমএস এর পাশাপাশি অনলাইনেও অাবেদন করা যাবে তবে এবার প্রার্থী সর্বনিম্ন ০৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের জন্য আবেদন করতে পারবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য।

[২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০১৭ ডাউনলোড]

এসএমএস ও অনলাইনে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি জানতে এখানে ক্লিক করুন।

যারা ভর্তি হতে পারবেঃ ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের এসএসসি উত্তীর্ণরাও ছাড়াও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালের পরীক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

আবেদন পদ্ধতিঃ অনলাইন ও এসএমএস এ অাবেদন করা যাবে।

আবেদনের সময়সীমাঃ আবেদন প্রক্রিয়া ০৯ মে থেকে শুরু হয়ে ২৬ মে (পুনঃনিরীক্ষণের পর ফলাফল পরিবর্তিতদের ক্ষেত্রে ৩০-৩১ মে) পর্যন্ত চলবে।

ভর্তির সময়সীমাঃ মনোনীতদের তালিকা প্রকাশের পর ২০-২২ জুন এবং ঈদের ছুটির পর ২৮-২৯ জুন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করানো হবে।

অনলাইনে আবেদন : অনলাইনে এই ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে হবে- www.xiclassadmission.gov.bd

অনলাইনে ভর্তি আবেদনে পছন্দের ১০টি কলেজকে নির্বাচন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

আবেদন ফিঃ অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ১ টি কলেজে আবেদন করলেও ১৫০/- টাকা চার্জ করবে আবার ১০টি কলেজে আবেদন করলেও ১৫০/- চার্জ করবে।

এসএমএসে প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা ফি দিতে হবে।

অনলাইনে আবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা জানতে এখানে ক্লিক করুন

এসএমএসে আবেদন : আগের মতো টেলিটক থেকে এসএমএস পাঠিয়েও আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এ জন্য প্রতি আবেদনের (প্রতি কলেজের জন্য এক আবেদন) জন্য ১২০ টাকা দিতে হবে। কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সবার জন্যই একই নিয়মে আবেদন করতে হবে। এসএমএসে আবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

fingerআপনার কাঙ্খিত কলেজের EIIN নম্বর জানা না থাকলে এখানে ক্লিক করে জেনে নিন।EIIN Number

১ম মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ১ম মেধাক্রম ০৫ জুন এসএমএস এবং স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড বা ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডির এই লিঙ্কেও প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ০৯ থেকে ০৮ জুন পর্যন্ত।

মাইগ্রেশন আবেদন (অপশন প্রদান) ও নতুন আবেদনঃ  ০৯ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত।

২য় মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২য় মেধাক্রম ১৩ জুন এসএমএস এবং স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড বা ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডির এই লিঙ্কেও প্রকাশ করা হবে।

২য় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ১৪ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত।

মাইগ্রেশন আবেদন (অপশন প্রদান) ও নতুন আবেদনঃ  ১৬ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত।

৩য় মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২য় মেধাক্রম ১৮ জুন এসএমএস এবং স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড বা ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডির এই লিঙ্কেও প্রকাশ করা হবে।

৩য় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ১৯ জুন।

শাখা নির্বাচনঃ বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণরা যেকোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণরা মানবিকের পাশাপাশি ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় এবং ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে ভর্তি হতে পারবে।

ভর্তি ফিঃ

  • মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকূল্যে ১ হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় ২ হাজার টাকা এবং ঢাকা ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি হবে না।
  • ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৫ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিও বর্হিভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও এমপিও বর্হিভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফি বাবদ বাংলা মাধ্যমে ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন খাতে কোনো প্রতিষ্ঠান ৩ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না।
  • কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অনুমোদিত ফি’র বেশি নেওয়া যাবে না এবং অনুমোদিত সব ফি গ্রহণের ক্ষেত্রে যথাযথ রশিদ প্রদান করতে হবে।
  • দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উল্লিখিত ফি যতদূর সম্ভব মওকুফের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

প্রার্থী নির্বাচনে অনুসরণীয় পদ্ধতিঃ

  • প্রার্থী নির্বাচনে কোন বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবেনা। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
  • বিভাগীয় এবং জেলা সদরের কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৮৯ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অবশিষ্ট আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তান, ৩ শতাংশ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা সদরের বাইরের এলাকার শিক্ষার্থী, ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্ত দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এবং স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সন্তানদের জন্য, ০.৫ শতাংশ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এবং অপর ০.৫ শতাংশ প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। যদি উপর্যুক্ত কোটায় প্রার্থী না পাওয়া যায় টবে সাধারণ কোটার শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রদত্ত সনদপত্র দাখিল করতে হবে। শিক্ষা, বিকেএসপি এবং প্রবাসীদের সন্তান কোটার ক্ষেত্রে ভর্তির সময় উপযুক্ত প্রমানপত্র দাখিল করতে হবে।
  • সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।
  • বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ে জটিলতা হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ ও রসায়নে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় নিতে হবে।
  • মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান জিপিএ নিষ্পত্তির জন্য পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত জিপিএ বিবেচনা করা হবে।
  • এক বিভাগের প্রার্থী অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট গ্রেড পয়েন্ট একই হলে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইয়ে জটিলতা হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
  • স্কুল ও কলেজ সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজ প্রতিষ্ঠানের স্ব স্ব বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত করেই কেবল অবশিষ্ট শূন্য আসনে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উপরোক্ত নিয়মাবলী অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে। তবে এ সকল প্রতিষ্ঠানের সকল ভর্তিই অনলাইন হবে।
  • কোন কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করতে পারবে।
  • কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানকে তাদের ভর্তি সংক্রান্ত সকল তথ্য ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করতে হবে।
  • সকল কলেজ/উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের বিদ্যালয় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে মন্ত্রণালয় তথ্য শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ও সময় অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। কোন প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয় ও বোর্ড নির্ধারিত তারিখের বাইরে নিজ ইচ্ছামাফিক ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 540 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট "লেখাপড়া বিডি"র একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স সম্পন্ন করছেন ।

22 comments

  1. জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সব বিষয়ের উপর সর্বোচ্চ ৪৮ গ্রেড পয়েন্ট ধরে জিপিএ’র ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে …মানে কি?

  2. পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের কতদিন পর রেজাল্ট দেয়া হয়? আর এভাবে কি কখনো রেজাল্ট চেঞ্জ হয়?

  3. মোঃ সাজুদার রহমান

    আপনপকে অনেক ধন্যবাদ ।

  4. 10 ta college e ki abedon korte hobe? naki 10 tar kom abedon korleo hobe. 1 jon ke ki shudhu 1 ta college e accept korbe?? naki 1 tar beshi college o accept korte pare.

  5. আমি ২০০৬ সালে মাদ্রাসা বোড থেকে দাখিল পাস করার পর কলেজে ভতি হয়েছিলাম কিন্তু পড়ালেখা করা সম্ভব হইনি এখন ২০১৭ সাল আমি আবার পড়ালেখা করতে চাই কিভাবে সম্ভাব?

    • মোঃ আব্দুল্লাহ্

      ধন্যবাদ। আপনার দেখছি অনেক আগের ছাত্র। যাইহোক বর্তমানে কোন ভাবেই জেনারেলে আসতে পারবেন না। তবে যেহেতু লেখাপড়ার শখ সেহেতু আপনাকে স্বাগতম। আপনি একটি কাজ করতে পারেন তথারুপ: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। দ্রুতভাবেই আপনার জেলার বাউবি অফিসে খবর নিন, বর্তমানে ভর্তি চলছে। উল্লেখ্য বাউবি হতে পাশের মান সরকার স্বীকৃত ও একই। তথাপি বাউবি এবারের শিক্ষাবর্ষ হতে আপডেট হয়েছে তথারুপঃ এবার ভর্তি হলে সনদপত্রে উল্লেখ থাকবে ২০১৯ সাল। অর্থাত জেনারেলের সাথে সমন্বয় করা হয়েছে, প্রায় একই সময়ে ফলাফল ও পরীক্ষা গ্রহন করা হবে। যাহা এতদিন বাউবিতে কিছুটা অসমন্বয় ছিল যেমনঃ ২০১৩ সনের এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ হত ২০১৬ তে। বাউবিতে ২ বছরের লেখাপড়ার খরচ পড়বে প্রায় ৬৫০০৳ মত। অবশ্য সকল বহি ফ্রি!! তথাপি আপনি এখান হতে পাস করে বিএ/এমএ উচ্চতর শ্রেনীতে ভর্তি হতে পারবেন।

  6. College nishchayon kivabe korbo?

  7. Brother…. Admission Guideline Gula koy pabo?? College/Polytechnic er?? Please aktu janaben…..

  8. জাহিদুল ইসলাম

    কলেজে #admission এর ব্যাপারে কিছু প্রশ্ন
    ১/ যদি কলেজের requirement G.P.A -৫.০০ থাকে কিন্তু আমার পয়েন্ট ৪.৬৪ তাহলে আমি কি সেই কলেজে অনলাইনে ভর্তি আবেদন করতে পারব?
    ২/ ১০ টি কলেজ choose করার পর কি শুধু মাএ একটি কলেজ থেকেই কি আমার ভর্তি আবেদন এর রিপ্লাই আসবে?

  9. আমি ২০১৩ সালে এস এস সি পরীক্ষায় পাশ করে কলেজে ভর্তি হই, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই বছর আর কলেজে পড়া হয়নি। আমি আবারো ২০১৪ সালে সেই এক ই কলেজে পুনরায় ভর্তি হই, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই বছরও আর কলেজে পড়া হয়নি।😖
    এখন ২০১৭ সালে আমি আবারো ভর্তি হতে ইচ্ছুক সেই এক ই কলেজে। আশা করি কলেজে ভর্তি হতে কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হবে নাহ।
    আর যদি হই ও, কিধরণের বাধা আর তা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় বলবেন, প্লিজ।।।

    • ধন্যবাদ। আপনার প্রেরিত তথ্যনুযায়ী আপনি কোনভাবেই জেনারেল তথা কলেজে ভর্তি হবার সুযোগ পাবেন না। কেননা, এবার যারা কলেজে ভর্তি হবেন তাদের এসএসসি পাশের সাল ধরা হয়েছে ২০১৪-২০১৭ সাল। সুতরাং বুঝতেই পারছেন! তবে পূনরায় লেখাপড়া শুরু করার জন্য আপনাকে স্বাগত জানাই। আপনি একটি কাজ করতে পারেন তথারুপ: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। দ্রুতভাবেই আপনার জেলার বাউবি অফিসে খবর নিন। উল্লেখ্য বাউবি হতে পাশের মান সরকার স্বীকৃত ও একই। তথাপি বাউবি এবারের শিক্ষাবর্ষ হতে আপডেট হয়েছে তথারুপঃ এবার ভর্তি হলে সনদপত্রে উল্লেখ থাকবে ২০১৯ সাল। অর্থাত জেনারেলের সাথে সমন্বয় করা হয়েছে, প্রায় একই সময়ে ফলাফল ও পরীক্ষা গ্রহন করা হবে। যাহা এতদিন বাউবিতে কিছুটা অসমন্বয় ছিল যেমনঃ ২০১৩ সনের এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ হত ২০১৬ তে। বাউবিতে ২ বছরের লেখাপড়ার খরচ পড়বে প্রায় ৬৫০০৳ মত। অবশ্য সকল বহি ফ্রি!!

  10. আমার ছোট ভাই, 9 টা কলেজে এ কমার্স এ apply korche,কিন্তু বাসা থেকে ও কে সায়েন্স এ পড়াবে,যে কলেজ এ point আসে।এখন কি করবো,যদি পারেন একটু জানান।অনেক উপকার হবে।

  11. জানাতে অনিচ্ছুক

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন বাতিল কীভাবে করতে হবে?

  12. আমি ভতির আবেদন করেছি ।এখন আবেদনকৃত কয়েকটি কলেজ বাদ দিয়ে নতুন করে কয়েকটি কলেজ যোগ করার কোন নিয়ম আছে কি ?আর থাকলে কিভাবে করব জানান ।

  13. মোঃ রাকিব হোসেন

    সি্কিউরিটি কোড টা যদি না আসে বা পুনরায় উদ্ধার করার উপায় কি?

  14. আমি ২০১৩ সালে এস এস সি পরীক্ষায় পাশ করে কলেজে ভর্তি হই, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই বছর আর কলেজে পড়া হয়নি।এখন ২০১৭ সালে আমি আবারো ভর্তি হতে ইচ্ছুক।

    আমি কি ভর্তি হতে পারবো?

  15. Online এ আবেদন করার পর ফোন এ একটি SMS আসছিলো। SMS টা check করারর আগে ভুলে delete করে ফেলছি।

    SMS টায় কি কোন গুরপ্তপূন তথ্য ছিলো?
    আবার SMS টা পাব কিভাবে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.