জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত) কোর্সে ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত) কোর্সে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রমে প্রাথমিক আবেদন প্রক্রিয়া ২১ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ বিকাল ৪টা থেকে ২৬ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পূর্বে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে উক্ত আবেদনের সময়সীমা ছিলো ৩ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ বিকাল ৪টা থেকে ১৫ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত পর্যন্ত।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আগ্রহী প্রার্থীদের উক্ত আবেদন ফরম পূরণ করে এর প্রিন্ট কপি ও প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ৩০০/- (তিনশত) টাকাসহ সংশ্লিষ্ট কলেজে বর্ধিত সময়সীমা অনুসারে ২৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখের মধ্যে অবশ্যই জমা দিতে হবে৷

চলুন জেনে নেওয়া যাক ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত) কোর্সে ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য…

এই ভর্তি কার্যক্রমে আবেদনকারী প্রার্থীদের কোন ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে না৷ আবেদনকারীদের স্নাতক (পাস) ও মাস্টার্স ১ম পর্ব (নিয়মিত)/ স্নাতক সম্মান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে৷ আপনাদের সুবিধার্থে ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে দেওয়া হলোঃ

গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক ও তারিখসমূহঃ

আবেদনের সাধারণ যোগ্যতা

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদী স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় ন্যূনতম তৃতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ অথবা তিন বছর মেয়াদী স্নাতক (পাস) ও স্নাতকোত্তর প্রথম পর্ব (নিয়মিত) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (পাস)/সার্র্টিফিকেট কোর্সে প্রাইভেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে না।

ভর্তি পদ্ধতি, নম্বর বন্টন ও ফলাফল
ক) প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে মেধা তালিকা তৈরী করে প্রার্থীদের মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত) কোর্স বরাদ্দ দেয়া হবে৷
খ) একই প্রতিষ্ঠান/কলেজে একই বিষয়ে দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর মেধা স্কোর সমান হলে সেক্ষেত্রে এ সকল
আবেদনকারীর স্নাতক (পাস) ও মাস্টার্স ১ম পর্ব (নিয়মিত)/ স্নাতক সম্মান পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর এবং বয়সের নিম্নক্রম অনুসারে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে৷
গ) ভর্তির ফলাফল পর্যায়ক্রমে প্রথম মেধা তালিকা, শূন্য আসন সাপেক্ষে দ্বিতীয় মেধা তালিকা, কোটা এবং রিলিজ স্লিপের
মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে৷
ঘ) সংশিস্নষ্ট কলেজ User ID, Password ও OTP ব্যবহার করে ভর্তির বিষয়ওয়ারী ফলাফল দেখতে পারবে৷ শিক্ষার্থীরা ভর্তি
সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের এই লিঙ্কে এবং SMS (nu<space>atmf<space>roll no টাইপ করে 16222 নম্বরে send হবে) এর মাধ্যমে অথবা সংশ্লিষ্ট কলেজ থেকে ফলাফল জানতে পারবে৷

আবেদনকারীর প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ সম্পর্কিত করণীয়
ক) আবেদনকারীকে এই লিঙ্কে গিয়ে এ প্রদর্শিত তথ্য ছকে প্রার্থীর ̄ স্নাতক পর্যাযের পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ড ও পাসের সন সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে। রোল নম্বর, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, পাসের সন, ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে৷

খ) এ পর্যায়ে আবেদনকারী তার ভর্তি যোগ্য (Eligible) কোর্সের তালিকা দেখতে পাবে৷ আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী
বিভাগ ও জেলাওয়ারী যে কোন কলেজের নাম Select করলে সংশ্লিষ্ট কলেজে মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত) কোর্সের নাম ও আসন
সংখ্যা দেখতে পাবে৷ এই তালিকা থেকে প্রার্থীকে সতর্কতার সংগে তার প্রার্থিত কোর্সের পছন্দ নির্ধারণ করতে হবে৷

গ) মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/ আদিবাসি/ প্রতিবন্ধী/পোষ্য (Ward) কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে তথ্য ছকের নির্দিষ্ট স্থানে তার
জন্য প্রযোজ্য কোটা Select করতে হবে৷ কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত মূল সনদপত্র থাকতে
হবে৷ একজন প্রার্থীর এক বা একাধিক কোটায় যোগ্য হলে কোটার পছন্দক্রম নির্ধারণ করে দিতে হবে৷

ঘ) ফরম পূরণের সময় আবেদনকারীর পাসপোর্ট আকারে সম্প্রতি তোলা রঙ্গিন ছবি Scan করে আপলোড করতে হবে৷ ছবির
মাপ হবে ১২০x১৫০ pixels, Image Type: jpg এবং maximum file size:50Kb.

ঙ) সঠিক তথ্য ও ছবিসহ ছক পূরণ করে Submit Application অপশনে ক্লিক করতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীর
রোল নম্বর ও পিন কোড প্রদর্শিত হবে এবং আবেদনকারীকে ফরমটি ডাউনলোড করে [A4(8.5”×11”) অফসেট সাদা
কাগজে ] প্রিন্ট নিতে হবে৷
চ) আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজে জমাদানের পূর্বে কোন প্রার্থী তার প্রাথমিক আবেদন ফরমটি বাতিল/ত্রুটিপূর্ণ ছবি পরিবর্তন
করতে ইচ্ছুক হলে তাকে এই লিঙ্কে গিয়ে আবেদন ফরমের রোল নম্বর ও পিন কোড এন্ট্রি দিতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীকে Form Cancel/Photo Change Option এ গিয়ে Click to Generate the OTP অপশনটি ক্লিক করতে হবে৷ এ সময়ে প্রার্থী তার আবেদন ফরমে উল্লিখিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে One Time Password (OTP) পাবে৷ এই O TPএন্ট্রি দিয়ে
শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমটি বাতিলপূর্বক নতুন করে আবেদন ফরম পূরণ ও ছবি আপলোড করতে পারবে৷

ছ) যে সকল কাগজপত্র লাগবেঃ এই আবেদন ফরমের সংগে প্রার্থীর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যায়িত নম্বরপত্র (অনলাইন কপি), রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি ও Onlineএ ভর্তির প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ৩০০/- (তিনশত) টাকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান/কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ প্রাথমিক আবেদন ফরমটির দ্বিতীয় অংশ সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষ/দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলসহ শিক্ষার্থীকে ফেরত দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কলেজ যে সকল প্রাথমিক আবেদন ফরম online-এ নিশ্চয়ন করবে সে সকল প্রার্থী তাদের মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে তা জানতে পারবে।

পোষ্টটি লিখেছেন: আল মামুন মুন্না

আল মামুন মুন্না এই ব্লগে 532 টি পোষ্ট লিখেছেন .

আল মামুন মুন্না, বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইট "লেখাপড়া বিডি"র একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। বর্তমানে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয় নিয়ে বি.বি.এ অনার্স করছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যশোর সরকারী এম. এম. কলেজে।


পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ দিন। ফেইসবুকে শিক্ষা বিষয়ক তথ্য পেতে আমাদের গ্রুপে যোগ দিন অথবা পেইজ এ লাইক দিয়ে রাখুন

2 comments

  1. sir ami degree pass 3 bocor pore preli 1 bocor ses koreci, nu er website e ami preli degree pass select koreci preli roll nicce na keno?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.